kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পড়তে পারো

২৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পড়তে পারো

আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প

বইয়ের এই ‘আমি’টা আর কেউ নয়, আমাদের প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তিনিই তোমাদের জন্য বাছাই করে দিয়েছেন ভূতের গল্প। তাঁর লেখা বই তো বাদ রাখোনি কোনোটা; কিন্তু তাঁর প্রিয় ভূতের গল্পগুলো সম্পর্কে জানা আছে তো? এই বইতেই পাবে সেগুলো। গ্রন্থটি কাকলী প্রকাশনী থেকে প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৯৭ সালে। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ।

এ সংকলনে আছে বিখ্যাত সব সাহিত্যিক যেমন—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিত্ রায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বনফুল, বুদ্ধদেব বসু, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, লীলা মজুমদার এবং আরো কয়েকজনের মোট ২৬টি গল্প। হুমায়ূন আহমেদেরও কয়েকটি গল্প আছে এতে। গল্পগুলো ঠিক রাক্ষস-খোক্ষসের নয়। এতে আছে অমীমাংসিত রহস্য, অতিপ্রাকৃত বিষয়, অশরীরী ও গা ছমছম করা ব্যাপারস্যাপার। রাতে একা একা না পড়লে কিন্তু এর মজাই পাবে না। মানে ভয়ই যদি না পাও, তবে ভূতের গল্প পড়ে কী লাভ!

 

হেতমগড়ের গুপ্তধন

ভীষণ মন খারাপ থাকলে নিমেষেই তা ভালো করে দেওয়ার মতো বই হেতমগড়ের গুপ্তধন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুতুড়ে এক সিরিজ। ভূতের গল্প। তবে ভিন্ন স্বাদের। মাধববাবু জমিদার বংশের লোক। হেতমগড়ে এক শ পঞ্চাশ বিঘা জমিতে ছিল প্রকাণ্ড বাড়ি। কিন্তু নদীভাঙনে সব শেষ। এখন থাকেন ভগ্নিপতির বাড়িতে। তো একদিন রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লেন ‘নিজের বাড়ি’র উদ্দেশে। জমিদারি নেই তো কী হয়েছে। ছোটবেলায় শুনেছিলেন, বাড়ির আশেপাশেই লুকানো আছে গুপ্তধন। হেতমগড়ের গুপ্তধন খুঁজতে গিয়েই যত কাণ্ড। ভৌতিক এবং হাস্যকর অভিজ্ঞতায় ঠাসা এ সিরিজ। অসাধারণ সব গল্পের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে ভয়ানক ভূতের নানা কাণ্ড এবং মজার সব বর্ণনা। দেখা পাবে বড় বাবু, মাধব, পল্টন, তায়েবজি, ঘটোত্কচ, নবতারণসহ আরো অনেক চরিত্রের।

 

টার্টলস অল দ্য ওয়ে ডাউন

ইংরেজি সাহিত্য যারা নিয়মিত পড়ছো, তারা জন গ্রিনের সঙ্গে কম বেশি পরিচিত। ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত হয় তার সপ্তম বই টার্টলস অল দ্য ওয়ে ডাউন। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেস্টসেলার হয় ওটা।

সামান্য মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ১৬ বছরের কিশোরী এজা হোমস তার মায়ের সঙ্গে ইন্ডিয়ানাপোলিসে থাকে। মাইকেল টার্নার এবং ডেইজি রামিরেজ তার দুই প্রিয় বন্ধু। অন্যদিকে এজার শৈশবের হারিয়ে যাওয়া বন্ধু ধনকুবের রাসেল পিকেটের ছেলে ডেভিস পিকেট। কিন্তু ডেভিসের বাবা রাসেল পিকেট নিখোঁজ। নিখোঁজ বাবার সন্ধানদাতার জন্য এক লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে ডেভিস। বিজ্ঞাপন দেখে এজা এবং ডেইজি শুরু করে খোঁজ। এর মধ্যে এজা তার পুরনো বন্ধু ডেভিসকে ফিরে পায় এবং তাদের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। তবে হঠাত্ই তাদের জীবন নতুন মোড় নেয়। দেখা দেয় কিছু রহস্য, উত্তেজনা, ও আশ্চর্য সব ঘটনা।

     —আফরা নাওমী

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা