kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

জেনে রাখুন

৬ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিডনি রোগের আরো লক্ষণ

-    কারোর প্রস্রাবের মাত্রা খুব বেশি বা খুব কম কিডনি রোগের সংকেত বহন করে।

-    রক্তস্বল্পতাও কিডনি রোগের লক্ষণ হতে পারে।

-    অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের কারণ।

-    অ্যাকিউট কিডনি ফেইলিওর হলে দুটি কিডনি হঠাৎ খারাপ হয়, কিন্তু চিকিৎসায় পুরোপুরি ভালো হয়।

-    শরীর ফোলা ভাব, প্রস্রাবে প্রোটিন নির্গত হওয়া, রক্তে কম প্রোটিন থাকা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকা নেফ্রোটিক সিনড্রোমের লক্ষণ।

-    ক্রনিক কিডনি রোগে দুটি কিডনি ধীরে ধীরে দীর্ঘ সময় ধরে এমনভাবে খারাপ হয় যে পরবর্তী সময়ে আর ঠিক হয় না। ক্রনিক কিডনি রোগের মুখ্য কারণ ডায়াবেটিস।

-    বয়সকালে পুরুষদের প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়ার মূল কারণ প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি।

 

শিশুদের জন্য সতর্কতা

-    শিশুদের বারবার জ্বর আসার অন্যতম কারণ হতে পারে কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ। তখন প্রস্রাবের সংক্রমণের কারণ দ্রুত নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা করা উচিত।

-    শিশুদের শরীর বারবার ফুলে যাওয়ার কারণও হতে পারে নেফ্রোটিক সিনড্রোম।

-    গর্ভাবস্থা থেকেই শিশুর কিডনি রোগ প্রতিরোধে উপায় বের করতে হবে। মায়ের ইউরিন ইনফেকশন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্যান্য অসুখ থাকলে তার সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।

 

কিডনির পাথর প্রতিরোধে

-    অসহ্য পেটের যন্ত্রণার সঙ্গে লাল রঙের প্রস্রাবের মুখ্য কারণ কিডনির পাথরজনিত সমস্যা। তবে নীরব পাথরের কারণে কিডনি খারাপ হওয়ার ভয় বেশি থাকে।

-    কারো কিডনিতে পাথর আছে কি না তা জানা যায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে।

-    ছোট আকারের কিডনি পাথর নিজে থেকেই শরীর থেকে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। বড় আকারের পাথরের জন্য অপারেশন বা অন্য চিকিৎসা লাগে।

-    লিপোট্রিপসি হলো বিনা অপারেশনে পাথর বের করার আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

 

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

-    মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ রোধে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই দরকার। বারবার সংক্রমণ হলে অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে।

 

সূত্র : বিদেশি পত্রিকা

গ্রন্থনা : ডাক্তার আছেন ডেস্ক

মন্তব্য