kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

নাক-কান-গলার রোগীর সতর্কতা

অধ্যাপক ডা. মঞ্জুরুল আলম, ডিভিশন হেড, নাক-কান-গলা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাক-কান-গলার রোগীর সতর্কতা

করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টিকারী এক ভাইরাস, যা নাক ও গলা হয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে। বিশেষ করে যাঁরা নাক-কান-গলার বিভিন্ন রোগে আগে থেকেই ভুগছেন, তাঁদের একটু বিশেষ সতর্ক থাকা ভালো।

 

লক্ষণ

করোনার সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর, সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি। তবে নাক-কান-গলার সমস্যা যাঁদের রয়েছে তাঁদের কাউকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত করলে উপসর্গ হতে পারে কিছুটা ভিন্ন। যেমন—

♦ নাকে সর্দি নেই, নাক শুষ্ক ও পরিষ্কার। তথাপিও হঠাৎ করে নাকে গন্ধ না পাওয়া বা কম পাওয়া।

♦ মুখে কোনো কিছুর স্বাদ না পাওয়া বা কম পাওয়া।

 

জটিলতা কেমন?

খুব অল্পসংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার পর ফুসফুসে স্থায়ী কিছু ক্ষতি লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে ফুসফুসে ফাইব্রোসিস হওয়া। এসব রোগীর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে শ্বাসকষ্ট ফিরে আসার আশঙ্কা আছে। তবে করোনা সংক্রমণে নাক-কান-গলায় স্থায়ী কোনো ক্ষতি হয়েছে এ রকম কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।

তবে সাইনোসাইটিস, এট্রপিক রাইনাইটিস বা অ্যালার্জিতে  নাকে সব সময় সর্দি থাকে এবং এ রকম রোগীরা সাধারণত একটু কম গন্ধ পান। কিন্তু যাঁরা কোনো গন্ধ অনুভব করেন না, তাঁদের জ্বর-সর্দি-কাশি থাকুক বা না থাকুক সতর্ক হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

প্রতিরোধে করণীয়

♦ নিয়মিত গরম ‘চা’ খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

♦ মাঝেমাঝে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করুন।

♦ গলা ব্যথায় লবণযুক্ত উষ্ণ গরম পানির গার্গল করুন।

♦ উষ্ণ গরম পানিতে গোসল করার অভ্যাস করুন।

♦ ভিটামিন ‘সি’যুক্ত ফল বা খাবার খান। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

♦ অন্য মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত দূরত্ব নিশ্চিত করুন (১ মিটার বা ৩ ফুট)।

♦ নিতান্তই বাইরে বের হলে এবং ভিড় এড়ানো সম্ভব না হলে মুখে মাস্ক পরুন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা