kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রোজকার ভুল

কিছু ভুল ধারণা ও বাস্তবতা

১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিছু ভুল ধারণা ও বাস্তবতা

শীতকালে ব্যায়াম বন্ধ নয়

অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে শীতকালে হাঁটা, চলা, দৌড়ানো, ব্যায়াম ইত্যাদি করলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই শীতে ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই।

তবে সঠিক তথ্য হলো—যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা যদি শীতকালে ব্যায়াম বন্ধ রাখেন, তাহলে দেহের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমে নানা সমস্যা হতে পারে। এ সময় ঠাণ্ডার কারণে ঘরের বাইরে হাঁটাচলা করা কিছুটা কঠিন, তবে ঘরের অভ্যন্তরে ব্যয়াম করা উচিত, বিশেষ করে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা ইনডোর গেমস যেমন ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি। পাশাপাশি ঘরদোর পরিষ্কার করা বা গোছানো, বাগান করা ইত্যাদি সাধ্যমতো করা ভালো। এতে রক্ত সঞ্চালনের গতি বাড়ার পাশাপাশি শীতকালীন রোগবালাই থেকেও রক্ষা মিলবে। যাঁদের অ্যাজমা, হৃদরোগ ইত্যাদির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা যোগব্যায়াম করতে পারেন।

 

কম মাত্রায় পানি পান করা অনুচিত

পানি শরীরের আর্দ্রতা রক্ষা করে। শীতের শুরুতে ও শেষের দিকে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় চারদিকের বাতাসের শুষ্কতায় শরীর ও ত্বক বেশ শুকিয়ে যায়। তাই বেশি করে পানি পান করলে ত্বক ভেতর থেকে হাইড্রেড থাকে। তবে ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে পানি পান করার প্রবণতা সবারই একটু কমে যায়। আবার অনেকে মনে করেন, শীতকালে শরীর থেকে তেমন ঘাম বের হয় না, তাই বেশি পানি পান করার প্রয়োজন নেই। আর এই ভুল ধারণার কারণে গরমের সময়ের চেয়ে শীতকালে প্রস্রাবে সংক্রমণ বেশি হয়। কারণ কম পানি পান করার ফলে রেনাল সিস্টেমের ওপর চাপ পড়ে এবং শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থগুলো ঠিকভাবে বের হতে পারে না। বিশেষ করে সর্দি-কাশিতে গলা শুকনো থাকলে গলায় মিউকাস বেড়ে যায় এবং খুসখুসে ভাব হয়। তাই কম পানি পান নয়, বরং শীতে বেশি পানি পান করতে হবে। প্রয়োজনে হালকা গরম করা যেতে পারে। ফলের রস, চা, কফি ইত্যাদি পান করলে দেহের পানির চাহিদা মিটবে এবং শরীর সতেজ থাকবে। তাই দৈনিক কমপক্ষে দুই তিন লিটার পানি পান করুন।

মাহবুবা চৌধুরী, পুষ্টিবিদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা