kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অ্যাজমা প্রতিরোধে কিছু খাবার

অ্যাজমা রোগীদের অনেক খাবারই খেতে মানা। কিন্তু কিছু খাবার আছে, যা অ্যাজমা রোগ প্রতিরোধে কাজ করতে পারে বা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট বাংলাদেশের পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেঁয়াজ

ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ ও অ্যাজমা নিরোধী হিসেবে কাজ করতে পারে পেঁয়াজ। পেঁয়াজ খেলে শরীরে হিস্টামিন নিঃসরণের হার কমে যায়। এতে শ্বাসনালির সংকোচনজনিত জটিলতাও কমে। ফলে শ্বাসকষ্ট কম হয়। পেঁয়াজে আছে প্রোস্টাগ্লানডিন, যা শ্বাসনালি দিয়ে নিঃশ্বাসের বাতাস চলাচলের কাজ সহজ করে দেয়।

 

লেবু কমলা

ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত যেকোনো খাবারই আসলে অ্যাজমার কষ্ট লাঘবে ভালো কাজ করে। বিশেষ করে শিশুদের অ্যাজমায়। লেবু ও কমলায় ভিটামিন ‘সি’ আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। কিছুকাল আগে ইতালিতে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু প্রতিদিনই ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত ফল খায় তাদের অ্যাজমা অ্যাটাকের হার যেসব অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু নিয়মিত ফল খায় না তাদের চেয়ে অনেক কম। এ কারণে যাদের অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টসংক্রান্ত জটিলতা আছে, তাদের প্রতিদিন লেবু, কমলাজাতীয় ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত ফল খাওয়া উচিত।

গাজর

গাজরে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন ‘এ’, যা অ্যাজমার আক্রমণ থেকে দেহকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই অ্যাজমার রোগীরা গাজর খেতে পারেন নিয়মিত।

হলুদ

অ্যাজমার বিরুদ্ধে কাজ করে হলুদ। বিশেষ করে শ্বাসনালির যত্ন-আত্তিতে হলুদের বেশ কার্যকারিতা রয়েছে।

রসুন

হাঁপানি প্রতিরোধে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে রসুন। হাঁপানির বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে রসুনের ব্যবহার প্রচলিত। অ্যাজমার রোগীদের বেশি করে রসুন খাওয়া উচিত।

আদা

আদা হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগের জন্য প্রাকৃতিক চিকিৎসা। আদা শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে এবং শ্বাসনালি সংকোচন রোধে সাহায্য করে। এক কাপ ফুটন্ত পানির মধ্যে মেথি, আদার রস ও মধু মিশিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে মিশ্রণটি রোজ সকাল ও সন্ধ্যায় পান করলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা আদা লবণ দিয়ে মিশিয়ে খেলেও অ্যাজমায় উপকার মেলে।

পালংশাক

ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস পালং শাক। আর এই ম্যাগনেশিয়াম অ্যাজমার কষ্ট লাঘবে কাজ করে। যারা অ্যাজমায় আক্রান্ত, তাদের রক্ত ও টিস্যুতে ম্যাগনেসিয়ামের উপস্থিতির হার কমে যায়। নিয়মিত ম্যাগনেসিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার খেলে রক্ত ও টিস্যুতে এর উপস্থিতি বাড়ে এবং অ্যাজমা অ্যাটাকের প্রবণতাও হ্রাস পায়। এ ছাড়া পালংশাকে থাকে ভিটামিন ‘বি’। এটিও অ্যাজমার প্রকোপ কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা