kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

প্রতিরোধে করণীয়

১০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিডনি রোগ হওয়ার আগে প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

♦ গর্ভাবস্থা থেকেই শিশুর কিডনি রোগ প্রতিরোধে উপায় বের করতে হবে। মায়ের ইউরিন ইনফেকশন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্যান্য অসুখ থাকলে তার সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।

♦ গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। মায়ের পুষ্টির অভাবে বাচ্চা কম ওজন নিয়ে জন্ম নিতে পারে। এতেও কিডনি, প্যানক্রিয়াস ছোট হয়ে যায়। আর কিডনি ছোট হয়ে যাওয়া মানে কিডনিতে থাকা এক মিলিয়ন নেফ্রন বা ছাঁকনির যথেষ্ট ঘাটতি হওয়া। সাধারণত ৩৬ সপ্তাহ পর্যন্ত কিডনির নেফ্রন বা ছাঁকনির গঠন হয়।  

♦ গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখতে হবে যে অনাগত শিশুর কিডনিতে কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না। কোনো সমস্যা ধরা পড়লে জন্মের পর চিকিৎসা নিতে হবে। অনেক সময় অবশ্য জন্মের পরপরই সেরে যায়।

♦ শিশুর জন্মের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাব করা জরুরি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাব না করলে চিকিৎসক বা হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হবে। সাধারণত ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। কিডনিতে জন্মগত ত্রুটি থাকলে প্রস্রাবের বেগ বা ফ্লো কম হয়। এটা দেখাও জরুরি।

♦ ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, অতিরিক্ত বমি হলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকে খাবার স্যালাইন খাওয়ায় ঠিকই; কিন্তু সঠিকভাবে খাওয়ায় না। মনে রাখতে হবে, পায়খানার সঙ্গে যে পরিমাণ পানি শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে, সেই পরিমাণ পানিই রিপ্লেস করতে হবে। অতিরিক্ত দিলে বরং সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি হয়ে কিডনির সমস্যা হয়।

♦ শিশুদের খাবারে পরিবর্তন আনতে হবে। বাসি, পচা বা খোলামেলা খাবার, ফাস্ট ফুড ও সফট ড্রিংকস পরিহার করতে হবে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান, সবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

♦ শিশুরা যেন মুটিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত চিনি ও লবণজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা, খেলাধুলা, দৌড়ানো ও হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা