kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শিশুর ব্যথা লাঘবে

অধ্যাপ ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অনেক কারণেই শিশু অসুস্থ হতে পারে। তারা বেশির ভাগ সময়ই নিজেরা কী কী অসুবিধা হচ্ছে তা বলতে পারে না। তাই সে সত্যিই বেশি অসুস্থ নাকি কম তা বোঝা অভিভাবক ও চিকিৎসক উভয়ের জন্যই কঠিন। কিন্তু কিছু বিষয় জানা থাকলে ধারণা পাওয়া যাবে, আসলেই শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ কি না। শিশু মারাত্মক অসুস্থ কি না তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয়ের জন্য চার ‘ভাইট্যাল’ লক্ষণ বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো—তাপমাত্রা, শ্বাসের হার, হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ।

 

কারণ

দুই ধরনের কারণে শিশুর ব্যথা হতে পারে। প্রথমত, চামড়া (ত্বক), অস্থি, মাংসপেশি, এমনকি দেহ-অভ্যন্তরের নানা অংশ, যেমন—পাকস্থলী, কিডনি, লিভার প্রভৃতির ক্ষত থেকে ব্যথা হতে পারে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় স্নায়ু বা পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেমের যেকোনো ত্রুটি বা আঘাত থেকে এ ধরনের ব্যথা হতে পারে।

 

চিকিৎসা

প্রাথমিক ওষুধ হিসেবে শিশুকে অ্যাসিটামিনোফেন (প্যারাসিটামল), আইবুপ্রোফেন দেওয়া উচিত। ইনজেকশন প্রয়োগ করতে হলে কিটোরোলাক দেওয়া যেতে পারে।

 

সতর্কতা

শিশুর বলে তাদের ব্যথা নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। বরং অধিক সতর্ক হয়ে বাড়তি নজরদারি করতে হবে। এ জন্য করণীয় হলো— 

♦ চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ দিতে হবে নির্দিষ্ট ডোজে। যেমন তিন থেকে ছয় ঘণ্টা পর পর। যখন ব্যথা হবে তখন ওষুধ—শিশুর জন্য এ নীতি প্রযোজ্য নয়। 

♦ সে খেতে পারে এমন ওষুধ দেয়া উচিত। প্রয়োজন না হলে কোনো ধরনের ইনজেকশন প্রয়োগ করা উচিত নয়।

♦ ওষুধ প্রয়োগের পর পুরো সময় বিশেষ পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

 

লেখক : বিভাগী প্রধান, শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা