kalerkantho

গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়

গর্ভাবস্থায় সাধারণত ২০ সপ্তাহের পর যখন রক্তচাপ ১৪০/৯০-এর ওপরে থাকে, তখন তাকে গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। নানা কারণে এ সময় উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। তবে কারণ যা-ই হোক না কেন, মূল লক্ষ্য থাকবে রক্তচাপ স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা। নচেৎ এ সময় একলাম্পশিয়াসহ খিঁচুনি রোগ হয়ে মা ও শিশুর অকালমৃত্যু হতে পারে।

ডা. মো. নাজমুল হক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



করণীয়

            অবহেলা না করে গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করাতে হবে। রক্তচাপ বেশি হলে বিলম্ব না করে প্রসূতি বিশেষজ্ঞ বা হৃদরোগ অথবা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দ্বারা প্রতিবার নিবিড়ভাবে রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে।

 

            উচ্চ রক্তচাপের কারণে অনেক নারীর নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। তাদের হেলদি লাইফস্টাইল মেনে চলতে হবে। গর্ভাবস্থার মতো বিশেষ সময়ে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য সব ধরনের ওষুধ কিন্তু সেবন করা যায় না। এ সময় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া খুব জরুরি।

 

            উচ্চ রক্তচাপ কমানোর প্রচলিত কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো গর্ভাবস্থায় খাওয়া নিষেধ। যেমন—লোসারটান,  ভালসারটান, রেমিপ্রিল ইত্যাদি। নিয়মিত রক্তচাপ কমানোর ওষুধ খাওয়া অবস্থায় কোনো নারী গর্ভবর্তী হয়ে পড়লে, তা অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে। তিনিই প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বদলে দেবেন।

 

            মনে রাখতে হবে, নিয়মিত চেকআপ, প্রেগন্যান্সির সময় নিরাপদ ওষুধ সেবন, ওজন স্বাভাবিক মাত্রায় রাখা, অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলা, দুশ্চিন্তা পরিহার করা হলে ওই সময় উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এড়ানো যায়।

 

লেখক : মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

বানৌজা হাজী মুহসীন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।

মন্তব্য