kalerkantho

অতিরিক্ত ওজন কমাবে শীতের সবজি

দেহের অতিরিক্ত ওজন কমানোর মোক্ষম সময় হতে পারে শীতকাল। এ সময় প্রাপ্ত নানা পুষ্টিকর শাকসবজি সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলে তা পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভূমিকা রাখতে পারে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে আনতে। তাই এ সময় খেতে পারেন—

সোনিয়া সুলতানা   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অতিরিক্ত ওজন কমাবে শীতের সবজি

পালংশাক

পুষ্টিগুণে ভরপুর পালংশাককে সুপারফুড বলা হয়। পর্যাপ্ত আয়রন ও ক্লোরোফিলসমৃদ্ধ এই শাকপাতা পেটের চর্বি দ্রুত কমাতে ভূমিকা রাখে। অন্ত্রের ভেতর জমে থাকা মল সহজে বের করে দিতে সহায়তা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধী। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে, তাদের জন্য আদর্শ খাবার হতে পারে পালংশাক।

 

বাঁধাকপি

শীতকালীন সবজি প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে ১.৩ গ্রাম প্রোটিন, ৪.৭ গ্রাম শর্করা, ০.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘বি’। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম ০.৮ মিলিগ্রাম, লৌহ ৬০০ মাইক্রোগ্রাম, ক্যারোটিন ও ২৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি থাকে। পুষ্টি চাহিদা পূরণে ও ওজন কমাতে এই সবজি সহায়ক হতে পারে।

 

ফুলকপি

জনপ্রিয় শীতকালীন পুষ্টিকর সবজি ফুলকপিতে পানি থাকে ৮৫ শতাংশ, অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। কম ক্যালোরির এই সবজিতে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম, মিনারেল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অন্য ফাইটোকেমিক্যালও থাকে। এর অন্যতম গুণ হলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যাঁরা ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা ফুলকপি খেতে পারেন। এটা শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে শরীরকে সুন্দর গঠনে আনতে সাহায্য করে।

 

ব্রকলি

ব্রকলিতে থাকা খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পুষ্টির বৈশিষ্ট্যের জন্য একে ক্যান্সারবিরোধী অন্যতম শক্তিশালী খাদ্য বলা যেতে পারে। এতে থাকা গ্লুকোরাফানিন বৈশিষ্ট্য ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিস্যু মেরামত করে এবং ত্বক উন্নত করে। এতে থাকা পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ুতন্ত্রের জন্য ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার আছে, যা শরীর থেকে কোলেস্টেরল বের করে দেয়। এটি একটি প্রাকৃতিক ডেটক্স, যা পেট ও পাচনতন্ত্র পরিষ্কার রাখে, ওজন কমাতে সহায়তা করে।

 

শিম

শিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত স্টার্চ, ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে ও অন্ত্র পরিষ্কারের মাধ্যমে ওজন কমাতে সহায়তা করে এই সবজি।

লেখক : পুষ্টিবিদ, কেয়ার মেডিক্যাল কলেজ

অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

মন্তব্য