kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বললেন

দুর্যোগ সহনশীল নগর গড়তে দরকার সম্মিলিত প্রয়াস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভূমিকম্প কখনো মানুষ মারে না। মানুষের তৈরি অপরিকল্পিত স্থাপনা ভূমিকম্পে প্রাণহানি ঘটায়। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পূর্বপ্রস্তুতি। এভাবেই বলছিলেন জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কিমিরো মেগুরো।

গতকাল ‘দুর্যোগ সহনশীল নগর গঠনে ডেভেলপারদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে ড. কিমিরো এসব কথা বলেন। সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দুর্যোগ সহনশীল নগর গড়তে সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আরবান রিজিলেন্স প্রকল্প (রাজউক অংশ) আয়োজিত এই সেমিনারে আবাসন খাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তা ও আরবান রিজিলেন্স প্রকল্পের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের আবাসন খাতের বিকাশে ডেভেলপারদের ভূমিকা রয়েছে। পার্শ্ববতী দেশ ভারতের তুলনায় অনেকাংশে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঢাকাকে অধিকতর বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর মতো সক্ষমতাসম্পন্ন ভবন তৈরির দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করার জন্য রাজউকের আরো তৎপরতা বাড়ানো দরকার। বিশেষ করে রাজউকের ভবন পরিদর্শকদের আরো তৎপর হওয়া জরুরি। বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. রাকিব আহসান বলেন, ‘ঢাকায় একটা রেওয়াজ চালু হয়েছে যে ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভুল করবে আর সেই ভুল ধরে দেবে রাজউক। ভুল বের করার জন্য রাজউকও কাজ করে। এই ধরনের প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’

মন্তব্য