kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

নারায়ণগঞ্জে ধলেশ্বরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জরিমানা

কমপক্ষে ১০ একর জমি দখলমুক্ত করা হয়

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২১ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নের চর সৈয়দপুর এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর পূর্ব তীর ভরাট করে গড়ে ওঠা ডকইয়ার্ডের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা করেছে বিআইডাব্লিউটিএ। গতকাল বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনের মতো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এ অভিযান চালায় বিআইডাব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিআইডাব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নদী কমিশনের মেম্বার আলাউদ্দীন আহাম্মেদ,  বিআইডাব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক গুলজার আলী, উপপরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ প্রমুখ। অভিযানকালে দুটি এক্সকাভেটর (ভেকু), দুটি জাহাজ, একটি টাগবোটসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।    

বিআইডাব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের  উপপরিচালক মো. শহিদুল্লাহ জানান,  গতকাল দিনব্যাপী চর সৈয়দপুর এলাকায়  ধলেশ্বরী নদীর পূর্ব তীর ভরাট করে গড়ে ওঠা আহাম্মদ আলী বেপারীর ডকইয়ার্ড উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কমপক্ষে ১৫টি টিনশেড ঘর উচ্ছেদ করা হয়। এ ছাড়া দুটি ড্রেজারসহ ১৩টি বাঁশের পাইলিং উচ্ছেদ করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযানকালে ডকইয়ার্ড মালিক আহাম্মদ আলী বেপারী নদী দখল ও ভরাটের বিষয়ে তাঁর দোষ স্বীকার করেন। তিনি নির্মাণাধীন জাহাজটি সরিয়ে নিতে দুই মাসের সময় আবেদন করলে নদী কমিশনের মেম্বার দুই মাসের আবেদন মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া নদী দখল ও ভরাটের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় নদীর দখলকৃত অংশ সরিয়ে নিতে সীমানা চিহ্নিত করে দেওয়া হয়।

ডকইয়ার্ড মালিক আহাম্মদ আলী বেপারী তাঁর দোষ স্বীকার করে দুই মাসের সময় চেয়েছেন। যদি তিনি দখলকৃত অংশ সরিয়ে না নেন তাহলে পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিআইডাব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক গুলজার আলী জানান, ধলেশ্বরী নদীতে গত চার দিনব্যাপী অভিযানে কয়েকটি ডকইয়ার্ড, পাকা ভবন, অসংখ্য ইটভাটার গাইড ওয়াল, বাঁশের পাইলিংসহ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় নদীর কমপক্ষে ১০ একর জমি দখলমুক্ত করে নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

মন্তব্য