kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযোগ

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়ম মানছে না ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মানদণ্ড অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করছে না বলে অভিযোগ তুলেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের পক্ষ থেকে ডিএনসিসিকে অবহিত করা হলেও তারা গা করছে না। গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতা বিষয়ক কর্মশালা’য় এ অভিযোগ করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার টনেরও বেশি বর্জ্য উৎপন্ন হয়। ওই বর্জ্যের সাড়ে তিন হাজার টন ডিএনসিসি এবং অবশিষ্ট বর্জ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় উৎপন্ন হয়। ওই দুই সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ফেলার জন্য আমিনবাজার ও মাতুয়াইলে দুটি বৃহৎ ল্যান্ডফিল বা বর্জ্য নিক্ষেপ কেন্দ্র রয়েছে। এ ধরনের ল্যান্ডফিল স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক হলেও ডিএনসিসি তা মানেনি। তাদের পরিচালিত আমিনবাজারের ল্যান্ডফিল স্টেশন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই নির্মিত হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার টনেরও বেশি বর্জ্য ফেলার কারণে ওই এলাকার লাখ লাখ মানুষ ভয়াবহ পরিবেশদূষণের শিকার হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে দূষণের ব্যাপারে দুই দফায় লিখিত নোটিশ দেওয়া হলেও কর্ণপাত করছে না ডিএনসিসি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহাম্মদ বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য পানিতে মিশে নদীদূষণ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ল্যান্ডফিলটি পরিবেশসম্মত করার ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা কামনা করছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আমিনবাজারের বর্জ্যের কারণে পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছে—এ নিয়ে বেশি বেশি প্রতিবেদন প্রচার করুন।’

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) রুবিনা ফেরদৌসি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা। কর্মশালায় বিসিজেএফ সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।

ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মঞ্জুর হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি, তা ঠিক নয়। এ ছাড়া কয়েক দিন আগে ল্যান্ডফিলে দূষণের মাত্রা সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য জানতে চেয়েছিল আমাদের কাছে। আমরা সে তথ্য দিয়েছি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।’

মন্তব্য