kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

কৃষক-ক্ষেতমজুর কনভেনশন

কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাসহ ২৪ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাসহ ২৪ দফা দাবি

পেনশন-ভাতাসহ ২০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন। ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌসুমের শুরুতে ধানসহ কৃষিপণ্যের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ, খোদ কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়, প্রতিটি উপজেলায় ধানের গুদাম নির্মাণসহ ২৪ দফা দাবি এসেছে কৃষক ও ক্ষেতমজুর কনভেনশনে। গতকাল শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে দিনব্যাপী এ কনভেনশন শেষে এসব দাবি আদায়ে আগামী বোরো ফসল মৌসুম পর্যন্ত আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে আছে জুলাই-আগস্ট মাসে সারা দেশে কমিটি সভা, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে পথসভা-হাটসভা ও ইউনিয়নে পদযাত্রা, নভেম্বর-ডিসেম্বরে সারা দেশে সমাবেশ-বিক্ষোভ ও জানুয়ারিতে পদযাত্রা শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ।

কৃষি ও কৃষক রক্ষা, ক্ষেতমজুরদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারী কৃষি শ্রমিককে কাজের স্বীকৃতি এবং মজুরিবৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়ে জাতীয় কৃষক সমিতি ও বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন এ কনভেশনের আয়োজন করে।

কনভেশন থেকে জানানো অন্য দাবিগুলোর মধ্যে আছে কৃষিতে বহুজাতিক কম্পানির বীজ চালুর চেষ্টা বন্ধ ও ক্ষেতমজুরদের নিবন্ধন করে ১৫০ দিনের কাজের নিশ্চয়তা।

কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সভাপতি বিমল বিশ্বাস। সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুস্তফা লুত্ফুল্লাহর সঞ্চালনায় কনভেনশনে বক্তব্য দেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মিত্র দল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি নুরুল হাসান, কার্যকরী সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ, সহসভাপতি মনোজ সাহা প্রমুখ।

কনভেনশনে রাশেদ খান মেনন বলেন, সরকারকে কৃষিপণ্য ক্রয়েও ভর্তুকি দিতে হবে। পোশাক কারখানা মালিক, ঋণখেলাপি, কালো টাকার মালিকরা প্রণোদনা পায়, কৃষক তার শস্য বিক্রিতে কেন প্রণোদনা পাবে না? আজ ধান উৎপাদনে বেশি খরচের পেছনে ক্ষেতমজুরদের মজুরিকে অজুহাত হিসেবে তুলে ধরে কৃষক ও ক্ষেতমজুরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ ক্ষেতমজুররা দৈনিক ৭০০-৯০০ টাকা পায় মাত্র তিন মাসের কাজের সময়ে, যা দিয়ে তাদের পুরো বছরের সংসার চালানো ও খোরাক জোগাতে হয়।

মন্তব্য