kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

বাজারে মিলছে নিষিদ্ধ পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় বেশ কিছু পণ্যের নিম্নমান ধরা পড়ার পর সেগুলো বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান বা বিক্রেতা কেউই এ নির্দেশনা মানছে না। বাজারে এখনো বিক্রি হচ্ছে ওই সব পণ্য।

গতকাল শনিবার বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে রাজধানীতে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ওই সময় নিষিদ্ধ করা ফস্টার ক্লার্ক ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংকস পাউডার, প্রাণ ব্র্যান্ডের ঘি, রাঁধুনী ব্র্যান্ডের ধনিয়ার গুঁড়া ও জিরার গুঁড়া, কনফিডেন্স ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং কুলসন ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই প্রথম ধাপে ৩১৩টি এবং দ্বিতীয় ধাপে মোট ৯৩টি পণ্য পরীক্ষা করে। প্রথম ধাপের পরীক্ষায় ৫২টি এবং দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় মোট ২২টি পণ্য নিম্নমানের হিসেবে ধরা পড়ে। অর্থাৎ পণ্যগুলোর জন্য বিএসটিআই নির্ধারিত জাতীয় মান মানেনি উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রথম ধাপের ৫৩টি পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়া হলেও দ্বিতীয় ধাপের ২২টি পণ্যের কিছু এখনো বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। 

বিএসটিআইয়ের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিমুল এহসানের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত মহানগরীর গুলশান এলাকায় এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে অন্য একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত মহানগরীর মালিবাগ, মাতিঝিল, শান্তিনগর ও খিলগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন-২০১৮ অমান্য করে নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য বিক্রি ও বিতরণ করায় মালিবাগের গাজী স্টোর, ফকিরাপুল বাজারের মায়ের দোয়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, শান্তিনগর বাজারের বড় ভাইয়া জেনারেল স্টোর, খিলগাঁও সিটি করপোরেশন মার্কেটের পারভিন ট্রেডার্স ও খিলগাঁও তালতলা বাজারের বাবুল স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে আমদানি করা চকোলেট পণ্যে অবৈধভাবে মানচিহ্ন ব্যবহার করায় একটি সুপারশপকে ৫০ হাজার টাকা এবং আমদানি করা স্প্যাগোটি ও মধু বিএসটিআই অনুমতিপত্র গ্রহণ ছাড়াই বিক্রয় ও বিতরণ করায় গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেটের তারা জেনারেল স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় ফস্টার ক্লার্ক ব্র্যান্ডের ১৬ প্যাকেট সফট ড্রিংকস পাউডার, প্রাণ ব্র্যান্ডের ১৮-২০ প্যাকেট ঘি, রাঁধুনী ব্র্যান্ডের ধনিয়ার গুঁড়া ও জিরার গুঁড়া, কনফিডেন্স ব্র্যান্ডের ৩৫ প্যাকেট আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং কুলসন ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাইয়ের বেশ কিছু প্যাকেটও জব্দ করা হয়।

অভিযানে অংশ নেওয়া বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক (সিএম) মন্টোস কুমার দাস কালের কণ্ঠকে বলেন, দ্বিতীয় ধাপের ২২টি পণ্য বাজারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সেগুলো এখনো কিছু কিছু জায়গায় পাওয়া গেছে। পণ্যগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং যারা বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য