kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

মতবিনিময়ে বিজিএমইএ সভাপতি

ভালোভাবে জমি বুঝে না নেওয়াটা ভুল ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত রাজধানীর হাতিরঝিল প্রকল্পে বিজিএমইএ ভবনটি এখন ভাঙার অপেক্ষায়। ভবনটি অবৈধভাবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে নিজেদের কোনো দায় ছিল না বলে এত দিন দাবি করে আসছিল তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। তবে গতকাল বুধবার সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ভালোভাবে জমি বুঝে না নেওয়াকে নিজেদের ভুল হিসেবে স্বীকার করেছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘ইপিবির (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) কাছ থেকে ভালোভাবে জমি বুঝে না নেওয়াটা আমাদের ভুল ছিল। অবশ্য এর পেছনে মূল দায় জমির বিক্রেতা ইপিবির। আমরা পুরো টাকাই পরিশোধ করেছি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন সোনারগাঁও হোটেলের পাশে দেওয়ার জন্য। কিন্তু ইপিবি দিয়েছে অন্য জায়গায়। অর্থাৎ ভুলটা করেছে ইপিবি। অবশ্য এ জন্য ইপিবির কাছে কোনো ক্ষতিপূরণ চাইনি। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে চাইব।’

বহুল আলোচিত হাতিরঝিল প্রকল্পের বিজিএমইএ ভবনটি ১২ এপ্রিলের মধ্যে খালি করার নির্দেশনা ছিল আদালতের। বিজিএমইএ তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়ে উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে নির্মাণাধীন ভবনে গত সোমবার থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। আর মঙ্গলবার ভবনে অবস্থিত একটি ব্যাংক ও একাধিক অফিসের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার মধ্যেই সন্ধ্যায় ভবনটি সিলগালা করে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এ ব্যাপারে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘আমরা আদালতের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ভবন ছেড়ে দিয়েছি। এ জন্য আদালত অবমাননা হয়নি।’

ভবন খালি করতে আরো এক বছর সময় চেয়ে বিজিএমইএর করা আবেদন প্রসঙ্গে সংগঠনের সভাপতি বলেন, ‘পুনরায় সময় বাড়ানোর বিষয়ে আপিল বিভাগে আমি কোনো আবেদন করিনি। আমার নামে বা বিজিএমইএর নামে কেউ আবেদন করে থাকলে সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ১১ এপ্রিলের পর থেকে আমি হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনেই যাইনি; উত্তরার নতুন ভবনে অফিস করছি। আমি মুচলেকা দিয়ে এসেছি আর সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করব না বলে। আমিও জানতে চাই কে আবেদন করেছে। আমাকে উকিল নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি জানি না। করে থাকলে সেটি হাতে পাওয়ার পর আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

হাতিরঝিলের ভবনটিতে গত ১৪ বছর ধরে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এসেছে বিজিএমইএ।

মন্তব্য