kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

নানা প্রদর্শনীতে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৬’কে স্বাগত জানিয়েছে রাজধানীর সুবিধাবঞ্চিত এম এ হক হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা। বৈশাখী গানের তালে শারীরিক কসরত ও নৃত্য প্রদর্শন এবং বৈশাখী মেলা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় তারা।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজধানীর মানিকনগরের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করা অবৈতনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এম এ হক হাই স্কুল। অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু অংশ নেয়। বিদ্যালয়টির প্রধান উপদেষ্টা মো. শফিকুল ইসলাম ভরসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। আরো বক্তব্য দেন বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. আলমগীর হক।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিদ্যালয়টির ছাত্র-ছাত্রীরা মানববলয়ের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন ‘স্বাগতম-১৪২৬’ তৈরি করে। পরে বৈশাখী গানের তালে তালে শারীরিক কসরত ও নৃত্য প্রদর্শন এবং বৈশাখী মেলা উপস্থাপন করে।

বক্তব্যে নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক আলোকবর্তিকা। আজকের আয়োজনে সেই ঐতিহ্যকে সুবিধাবঞ্চিত ছেলে-মেয়েরা যেভাবে তুলে ধরেছে, সত্যিই মনোমুগ্ধকর। বাঙালি জাতিসত্তা উন্মোচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন সিংহ পুরুষ। তাঁর কন্যা, মানবতার মা শেখ হাসিনা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে দেখে বিচলিত হননি। তিনি মানবতার হাত বাড়িয়ে বিশ্বে বিরল কিংবদন্তির মর্যাদায় আসীন হয়েছেন। তাঁর দেশের শিশুরা সুবিধাবঞ্চিত থাকতে পারে না। এ জন্য সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে।’

জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা পশ্চাৎপদ, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এম এ হক হাই স্কুল পথশিশুদের নিয়ে যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, তাদের প্রতি আমাদের সাহায্যের হাত সব সময় খোলা থাকবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা