kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

ছাঁটাই প্রকল্প বন্ধের দাবি জিপিইইউর

নিজস্ব প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ) প্রতিষ্ঠানে সিডিসি, ব্রিজসহ সব ধরনের জবকাট বা ছাঁটাই প্রকল্প বন্ধের দাবি জানিয়েছে। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সদ্য নিবন্ধন পাওয়া সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, অন্যথায় যেকোনো মূল্যে এই অপ্রয়োজনীয় ও শ্রমবিমুখ প্রকল্পগুলো বন্ধ করতে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করা হবে।

জিপিইইউর নিবন্ধন পাওয়া উপলক্ষে গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বলা হয়, অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে মুনাফার পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নের দিকেও কম্পানিকে মনোনিবেশ করতে হবে। নেতাদের গ্রামীণফোনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ম্যানেজমেন্টকে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন। তাঁরা বলেন, ‘দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আমাদের নেই। বরং আরো বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে চাই। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট তথা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’

জিপিইইউ সভাপতি ফজলুল হকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. শাফিকুর রহমান মাসুদ। প্রচার সম্পাদক মো. রফিকুল কবীর সৈকতের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন আতিকুজ্জামান মির্জা, ইমরুল কায়েস, রাজু সিনহা, মাজহারুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতা।

গ্রামীণ টেলিকম এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ, ইউএস সলিডারিটি সেন্টারের ডেপুটি কান্ট্রি প্রগ্রাম ডিরেক্টর মিস কেলি এম ফে রদ্রিগেজ, বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম মাহমুদ সোহাগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১২ সালে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রেক্ষাপটে গ্রামীণফোনের কর্মীরা একতাবদ্ধ হয়ে চাকরির নিশ্চয়তার দাবিতে আইনি প্রক্রিয়া মেনে একটি ইউনিয়ন গঠন করে এবং রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করে। কিন্তু যেদিন শ্রম অধিদপ্তরে রেজিস্ট্রেশনের জন্য দরখাস্ত করা হয় সেদিনই দিবাগত রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে সদ্য গঠিত ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাতজনসহ মোট ১৬২ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে গ্রামীণফোনের তৎকালীন কর্তৃপক্ষ। আর আবেদনের চার দিনের মাথায় শ্রম অধিদপ্তরও রেজিস্ট্রেশনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

মন্তব্য