kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা

বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়তে পাশে আছে ভারত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুর ১০০তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস। তিনি গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ভারতীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা (আইটেক) দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশন ও নিজের পক্ষে এই শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি, সব সময়ের মতো বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবে রূপ দিতে ভারতকে পাশে পাবে।’

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের যে অভ্যুদয়, ভারত ও বাংলাদেশের যে বন্ধুত্ব, এটি ঐতিহাসিকভাবে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একই সংস্কৃতি ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এই দেশ পেয়েছি। এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য ভারত সর্বোতভাবে সহযোগিতা করেছে।’

ভারত বিভিন্নভাবে এ দেশকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ধারা কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সেই ধারা আবার ফিরে এসেছে। আজ আমাদের অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে সব দিক থেকে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হচ্ছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস বলেন, ১৯৬৪ সালে প্রবর্তিত ভারতের উন্নয়ন অংশীদার উদ্যোগ আইটেক বিশ্বের ১৬১টি দেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধ গড়তে ভূমিকা রেখেছে। আইটেক বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ অংশীদার। আইটেকের আওতায় ছয় বছরে এ দেশের এক হাজার ৪৮৯ জন মাঠ প্রশাসনের মধ্যম সারির সরকারি কর্মকর্তা ‘মিড ক্যারিয়ার ট্রেনিং প্রগ্রামের’ অংশ হিসেবে ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। ১২৫ জন জেলা প্রশাসক বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এ দেশের তিন হাজার আট শর বেশি তরুণ পেশাজীবী আইটেকের আওতায় ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার আগামী বছরগুলোয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।

মন্তব্য