kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

উপাচার্য বললেন

অবিলম্বে জাকসু নির্বাচন সরকারের বাধা নেই

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম বলেছেন, অবিলম্বে জাকসু নির্বাচন হবে।

গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটি (জাডস) আয়োজিত জাকসু নির্বাচন বিষয়ে ‘সম্পূরক আলাপ’ শীর্ষক এক সম্মেলনে উপাচার্য এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘আমি প্রাণ থেকে বলছি, আমি জাকসু নির্বাচন দিতে আগ্রহী। অন্যরা প্রাণ থেকে চায় কি না, আমি জানি না। তবে আমি প্রাণ থেকে চাই। জাকসু নির্বাচন দিতে আমার কোনো আপত্তি নেই।’

অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘সব শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংগঠন এবং শিক্ষক একত্রে বসে সাত দিনের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে জানাও কবে এবং কিভাবে জাকসু নির্বাচন চাও। তোমরা একমত হলে, সময় ও পরামর্শ দিলে আমি জাকসু নির্বাচন নিয়ে কাজ করব।’

বিকেল ৫টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে এ সম্মেলন হয়। এতে জাকসুর বিভিন্ন দিক ও নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং কেমন জাকসু চাই এসব নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক বশির আহমেদ, প্রক্টর ফিরোজ উল হাসান, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের প্রভাষক মাহমুদুর রহমান জনি, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মাহাথির মুহাম্মদ ও সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান।

অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাকসু নির্বাচন দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’

ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল রানা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের জন্য জাকসু নির্বাচন জরুরি।’

সম্মেলনে বিভিন্ন বিভাগের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সম্মেলন শেষে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও কনসার্ট হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা