kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শেকৃবিতে আগুন আতঙ্ক

হল ছাড়ছে শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকি দেওয়ায় উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদ

শেকৃবি প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলে গ্যাসের পাইপের ছিদ্র থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে আসে। এ সময় হলে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি করলে শেকৃবি উপাচার্য দুর্ঘটনার জন্য শিক্ষার্থীদের দায়ী করেন। তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে তাকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। এ বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। গ্যাস আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে যাচ্ছে। উপাচার্যের দাবি, গ্যাসের সংযোগ লিক করা ষড়যন্ত্রের অংশ।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শেকৃবি উপাচার্য ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলের গেটে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের হলে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। তিনি গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। কারা ষড়যন্ত্র করেছে জানতে চাইলে উপাচার্য খেপে গিয়ে শেকৃবি মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে নেন এবং তাকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে উপাচার্য বলেন, ‘কেউ ইচ্ছা করলে থাকতে পারো না হলে চলে যেতে পারো। আমরা কাউকে জোর করে হলে তুলি নাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘সরকার কত টাকা দেয়?  এর চেয়ে বেশি সমাধান করার স্কোপ নাই। তুমি যদি পারো নিজে টাকা আইনা নিজে সমাধান করে দাও।’

এ বিষয়ে কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট আয়েশা আক্তার আঁখির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উপাচার্য কামাল উদ্দিন আহাম্মদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ছাত্রীরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্যাসের লাইন লিক করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার পরও আমরা গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করে যখন নিরাপদ মনে করেছি তখন তাদের হলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। কিছু শিক্ষার্থী এটা অমান্য করে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। তখন এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বহিষ্কার করা হবে বলেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা