kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফাগুন সকালে রমনা পার্কে মাধবীবরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফাগুন সকালে রমনা পার্কে মাধবীবরণ

মাধবী। অল্প সময়ের জন্য ফোটে বলেই ‘দুর্লভ’

কোকিলের কুহুতান যেমন বসন্তের আগমন বারতা ছড়িয়ে দেয়, তেমনি মাধবী ফুলের হাত ধরেই আসে ফাগুন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ তাঁর কথা-কবিতা-গানে মাধবীলতাকে অনন্য মর্যাদায় অভিষিক্ত করলেও ফুলটি চেনেন না অনেকেই। আবার কেউ কেউ মধুমালতী বা মধুমঞ্জরিলতাকে মাধবী বলে ভুল করেন। প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রিয় ফুলটি ঘিরে তাই গতকাল শুক্রবার রমনা পার্কে হয়ে গেল ব্যতিক্রমী মাধবীবরণ উৎসব। তরুপল্লবের এ আয়োজনে যোগ দেন শতাধিক প্রকৃতিপ্রেমী।

কথা, কবিতা, গানে সবার কণ্ঠে ছিল মাধবী ও প্রকৃতিবন্দনা। তরুপল্লবের সাধারণ সম্পাদক মোকারম হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কথাসাহিত্যিক ও নিসর্গী বিপ্রদাশ বড়ুয়া, সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক ইশতিয়াক উদ্দীন আহমদ, উদ্ভিদবিদ দ্বিজেন শর্মার সহধর্মিণী দেবী শর্মা, তরুপল্লবের সহসভাপতি শাহজাহান মৃধা বেনু, লেখক ও ব্যাংকার ফারুক মঈনুদ্দীন, কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না, কবি দ্রাবিড় সৈকত ও মাধবীলতা প্রমুখ।

দ্বিজেন শর্মার ছেলে সুমিত্র শর্মা রমনা পার্কে এই উদ্ভিদবিদের স্মৃতিফলক নির্মাণ করে ‘দ্বিজেন শর্মা চত্বর’ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে কবিতা ও গান পরিবেশন করেন কবি আমিনুর রহমান সুলতান, দেবাশিস বিশ্বাস, গোলাম শফিক, বকুল আশরাফ, বিলু কবীর, মতিন রায়হান, বিপ্লবী ঘোষ ও রুদ্র হাসান। আয়োজনের শেষে ছিল মুড়ি-মুড়কিসহ বিচিত্র খাবারের সমন্বয়ে বাসন্তী আপ্যায়ন।

২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর রমনা পার্কে গাছ চেনানোর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তরুপল্লবের যাত্রা শুরু। তরুপল্লব এ পর্যন্ত ২৮টি গাছ চেনানোর অনুষ্ঠান, উদ্যানকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা, বৃক্ষরোপণ ও প্রকৃতিবিষয়ক সাময়িকী ‘প্রকৃতিপত্র’ প্রকাশসহ সমাজ সচেতনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা