kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিসে নৈরাজ্য চলছেই

১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিসে নৈরাজ্য চলছেই

অঙ্কন : মাসুম

কম গণপরিবহনের এই নগর ঢাকার বেশ পুরনো সমস্যা সিটিং সার্ভিস। কোনো বাসের গায়ে লেখা স্পেশাল সার্ভিস, কম স্টপেজ সার্ভিস আবার কোনোটির গায়ে লেখা গেটলক, সিটিং সার্ভিস। অথচ যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিআরটিএ বলছে, সিটিং সার্ভিসের কোনো নিয়ম নেই। এদিকে পরিবহনসংক্রান্ত কমিটি সিটিং সার্ভিসের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করলেও সিটিং সার্ভিসকে নিয়মের আওতায় আনা যায়নি। সিটিং সার্ভিস নিয়ে সমস্যাটি কোথায়, কোন পথেই বা এর সমাধান বিস্তারিত জানাচ্ছেন কবীর আলমগীর

 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসাবে ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরীণ রুটে নিয়মিত চলাচল করে প্রায় ছয় হাজার বাস। ঢাকা মহানগরে বিআরটিএ নির্ধারিত সর্বনিম্ন ভাড়া বাসের জন্য সাত টাকা আর মিনিবাসের জন্য পাঁচ টাকা। অথচ গেটলক সিটিং সার্ভিসের বাসগুলোতে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা থেকে ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ টাকা পর্যন্ত নিতে দেখা যায়। প্রতিটি বাসে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নিয়ম আছে। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন পথে চলাচলকারী অন্তত ২০টি পরিবহনের বাসে উঠে দেখা যায় নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টাঙানো নেই। আর গেটলক সিটিং সেবা বলা হলেও দাঁড়ানো যাত্রী নিতে এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী নামাতে দেখা গেছে এ বাসগুলোকে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে রাজধানীতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা বাড়িয়ে এক টাকা ৭০ পয়সা করা হয়। মিনিবাসের ভাড়াও ১০ পয়সা বেড়ে এক টাকা ৬০ পয়সা হয়েছে। সে হিসাবে ১০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করলে বাসগুলোলকে মাত্র এক টাকা বেশি ভাড়া নেওয়ার কথা; কিন্তু এই পরিমাণ দূরত্বে ঢাকার বিভিন্ন রুটের পরিবহনগুলো নতুন ভাড়া কার্যকরের অজুহাতে দুই থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করে থাকে।

 

কোন বাসে কত ভাড়া

রাজধানীর আজিমপুর থেকে গাজীপুরের চৌরাস্তা পর্যন্ত ‘ভিআইপি-২৭’ নামের একটি বাস সেবা চালু আছে। কম্পানিটির বাস সেবা চালু আছে ‘কাউন্টার সার্ভিস’ নামে। এই বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ৫০ টাকা। অর্থাৎ কোনো যাত্রী যদি আজিমপুর থেকে উত্তরা যেতে চান, তাঁকে ৫০ টাকার টিকিট কাটতে হবে। ঢাকার গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া থেকে গাজীপুরের আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত চলাচল করে ‘এয়ারপোর্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পরিবহন লিমিটেড’ বা ‘৩ নম্বর’ বাস। এই বাসে উঠে স্বল্প দূরত্বে গেলেও ভাড়া ১০ টাকা। তারা সম্প্রতি ‘স্পেশাল সার্ভিস’ নামে নতুন কিছু বাস চালু করেছে, যেগুলোতে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত ভাড়া ৫০ টাকা। এ ছাড়া আজিমপুর থেকে মিরপুর ইসিবি চত্বর চলাচলকারী মিরপুর লিংক বাসটির সর্বনিম্ন ভাড়া ২৬ টাকা। বিহঙ্গ পরিবহন লিমিটেড যাতায়াত করে মিরপুর রূপনগর থেকে আজিমপুর পর্যন্ত। এই পরিবহনের সর্বনিম্ন ভাড়া ১৬ টাকা। মিরপুর থেকে গুলিস্তান ও মতিঝিল চলাচলকারী ল্যামস পরিবহন, ইটিসি ট্রান্সপোর্ট কম্পানি লিমিটেড ও বিকল্প অটো সার্ভিস লিমিটেডের বাসগুলোর সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। এ ছাড়া মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কমলাপুর, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ ও মোহাম্মদপুর থেকে সায়েদাবাদ চলাচলকারী আয়াত পরিবহন, হিমাচল পরিবহন, নবকলি পরিবহন, মেশকাত ট্রান্সপোর্ট কম্পানি লিমিটেড ও এভারেস্ট পরিবহন, রজনীগন্ধা, মিডলাইন লিমিটেডেরও সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা। ঢাকার অন্যান্য রুটে চলাচলকারী লাব্বাইক ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, ওয়েলকাম ট্রান্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড, স্বাধীন এক্সপ্রেস, ঠিকানা এক্সপ্রেস লিমিটেড ও স্বাধীন পরিবহনের সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ থেকে ১৫ টাকা। অথচ সরকারের বেঁধে দেওয়া ভাড়া অনুযায়ী এসব এলাকার সর্বনিম্ন ভাড়া সাত টাকা।

নিয়ম না থাকলেও বাসে হরহামেশাই চলে দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন

ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ফার্মগেট থেকে মহাখালী যাবেন আদিবা ইশরাত। দাঁড়িয়ে আছেন বাসের জন্য। কিন্তু মহিলাদের জন্য সিট নেই এই অজুহাতে তাঁকে বেশ কয়েকটি বাস ফিরিয়ে দিয়েছে। তিনি দাঁড়িয়ে যেতে চাইলেও ভাড়া হাঁকা হচ্ছে ২০ টাকা। অথচ সরকারি তালিকা অনুযায়ী মহাখালীর ভাড়া হওয়ার কথা সাত টাকা। মোহাম্মদপুরের বাসযাত্রী ঠিকাদার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সিটিং সার্ভিসের সুবিধা আছে। তবে তা যদি নিয়ম মেনে চলে, তাহলে আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু অনেক সময় নিয়ম মানা হয় না।’ নিয়মিত গণপরিবহন ব্যবহার করেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা রেখা আক্তার। মতিঝিল ব্যাংকপাড়ায় বেসরকারি একটি ব্যাংকে তিনি চাকরি করেন। প্রতিদিনই অফিসে যাওয়ার সময় ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠতে হয় তাঁকে। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লোকাল বাসগুলোও এখন বাড়তি উপার্জনের আশায় সিটিং সার্ভিস হয়ে যায়। কোনো বাসে উঠতে গেলে হয় গেট বন্ধ থাকে কিংবা বলা হয় সিট খালি নেই।’

সিটিং সার্ভিসের নামে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও যাত্রীসেবার মান বাড়েনি। বেশির ভাগ সিটিং সার্ভিস বাসে ফ্যানের কোনো ব্যবস্থা নেই। এক সিটের চেয়ে অন্য সিটের দূরত্ব কম। থামানো হয় সবখানেই। জানালা ও আসন ভাঙাচোরা। তেমনি যাত্রীও তোলা হয় যেখানে-সেখানে। ছারপোকার দৌরাত্ম্য। লক্কড়-ঝক্কড় বাস। এ ছাড়া বিড়ম্বনায় পড়েন নারী যাত্রীরা। পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠতে গেলে নারীদের শুনতে হয়, ‘সিট নাই, মহিলা সিট নাই। মহিলা উঠাস না, যাত্রীরা ক্যাচাল করব।’

চলে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো

কার্যকর হচ্ছে না নীতিমালা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২০১৭ সালের ৩ মে সিটিং সার্ভিসের অনিয়ম নিরসনে ‘সিটিং সার্ভিসসহ সুষ্ঠু যাত্রীসেবা’ নামে আট সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। বিআরটিএ পরিচালক শেখ মাহবুব-ই-রব্বানীকে প্রধান করে পেশাজীবীদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠিত হয়েছিল। সিটিং সার্ভিস থাকবে কি না তা জানিয়ে জুলাইয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে বলা হয়। নির্ধারিত সময় পার করে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে অবশেষে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। ওই প্রতিবেদনে সিটিং সার্ভিসের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

সেই সময়ে বিআরটিএ পরিচালক শেখ মাহবুব ই রব্বানী বলেছিলেন, ‘আমরা সিটিং সার্ভিস চালু রাখার সুপারিশ করেছি। তবে সিটিং ও নন-সিটিং গাড়ির রং আলাদা করতে হবে। মানুষ যেন দূর থেকে দেখলেই বুঝতে পারে গাড়ি সিটিং কি না। পাশাপাশি সিটিং সার্ভিসের ভাড়া ও রুট নির্ধারণ করতে হবে।’ কিন্তু গত ১৯ মাসেও চূড়ান্ত হয়নি সিটিং সার্ভিস নীতিমালা। কবে চূড়ান্ত হবে তা-ও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। এরই মধ্যে নীতিমালা ঘোষণার জন্য অন্তত তিনবার সময় নেওয়া হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে যাত্রীদের পকেট কাটছে পরিবহন কম্পানিগুলো। রাতারাতি লোকাল বাস হচ্ছে সিটিং। পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গণপরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য এড়াতে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। না হলে এই সেক্টরে অরাজকতা কমবে না।

 

২৬ সুপারিশ ছিল কমিটির

বিআরটিএর পরিচালক (রোড সেইফটি) মাহবুব-ই-রব্বানীকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন দৈনিক সমকালের সহযোগী সম্পাদক অজয় দাশগুপ্ত, ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক, উত্তর), সারাবাংলাডটনেটের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শ্যামল সরকার, বিআরটিএর ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. মাসুদ আলম, বাস মালিকদের প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান এবং শ্রমিক প্রতিনিধি শাহজাহান বাবুল। সিটিং সার্ভিসের অনিয়ম বন্ধে ২৬টি সুপারিশ করে কমিটি। এগুলোর মধ্যে রুট পুনর্বিন্যাস করে ঢাকা শহরের সব বাসকে নির্দিষ্ট কয়েকটি কম্পানির নিয়ন্ত্রণে চলাচলের ব্যবস্থা, রুট ফ্র্যাঞ্চাইজিং পদ্ধতিতে গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রবর্তন করার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ভাড়া নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি ও একচেটিয়া ব্যবসা ঠেকাতে প্রাইভেট অপারেটরদের অনুকূলে নতুন করে রুট পারমিট দেওয়া বন্ধ রেখে বিআরটিসির মাধ্যমে অধিকসংখ্যক নতুন দ্বিতল বাস চালু, প্রয়োজনে আন্ত জেলা থেকে প্রত্যাহার করে ঢাকা সিটিতে স্থানান্তরের সুপারিশ করা হয়। কিন্তু সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি একটিও। কমিটির সদস্য অজয় দাশগুপ্ত বলেন, ‘সিটিং সার্ভিসসহ গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে আমরা সুপারিশ করেছিলাম। আমাদের সুপারিশগুলো বাস্তবসম্মত ছিল। এখন এই সুপারিশগুলো বিআরটিএ বাস্তবায়ন করতে পারে।’ কমিটির অপর সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, ‘আমরা সুপারিশ দিয়েছিলাম। এগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে কমিটির পক্ষ থেকে আর কিছু করার নেই। এখন জনগণের চাপ ও জনমতই পারে এই সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন করতে।’ তিনি আরো বলেন, ‘কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পরপরই কমিটির মেয়াদও শেষ হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে পারে।’

 

আশ্বাস শুনেছি পদক্ষেপ নেই

মোজাম্মেল হক চৌধুরী

মহাসচিব, যাত্রী কল্যাণ সমিতি

গণপরিবহন ব্যবস্থায় সিটিং সার্ভিস নামে আলাদা কোনো সেবার কথা বলা নেই। তবু যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়ার জন্য সিটিং সার্ভিসের নামে ব্যবসা চলছে। রাজধানীর প্রায় ৮৭ শতাংশ গণপরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে থাকে। সিটিং সার্ভিসের নামে নানা অনিয়ম চললেও এটির সুরাহা নেই। যত দূর জানি, বাস মালিকরা সরকারের নীতিনির্ধারকদের চাপে রাখেন। এর ফলে শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। যাঁরা সিটিং সার্ভিস পরিচালনা করছেন, তাঁরা সরকার নির্ধারিত ভাড়া বা সর্বনিম্ন ভাড়া কিছুই মানেন না। নামমাত্র কিছু বাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয় না। বিভিন্ন বাস কম্পানি তাদের পরিবহনের জন্য কম্পানি প্রণীত ভিন্ন ভিন্ন ভাড়ার চার্ট অনুসরণ করে ভাড়া আদায় করছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন সময়ে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু ওই আশ্বাস শুনেছি, পদক্ষেপ নেই। কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান গণপরিবহনের নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করতে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ ছাড়া রুট, স্টপেজ নির্ধারণ করে যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন আমিও চাই

মো. মশিয়ার রহমান

বিআরটিএ চেয়ারম্যান

ঢাকা মহানগরে গণপরিবহনে অনিয়ম দূর করতে আমাদের একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করেন। অনিয়ম চোখে পড়লেই জরিমানা কিংবা দণ্ড দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার জন্য বিআরটিএ নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে। রাজধানীর পরিবহন খাতে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। সেই বিশৃঙ্খলা নিরসনে আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। কমিটি সিটিং সার্ভিস চালু রাখার সুপারিশসহ বেশ কিছু সুপারিশ করে এবং সিটি সার্ভিসের জন্য একটি নীতিমালা তৈরির তাগিদও দেওয়া হয় কমিটির পক্ষ থেকে। যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন আমিও চাই। কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব অবগত আছেন। আমি আশাবাদী, অচিরেই আমরা এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে কোনো গাইডলাইন পাব। কোনো অবস্থায়ই আমরা বিশৃঙ্খলা চাই না। গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরে আসুক, এটি আমাদের সবার চাওয়া। একটা শৃঙ্খলিত ও নিয়মতান্ত্রিক গণপরিবহন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারলে সেটা হবে আমাদের জন্য অনেক স্বস্তিদায়ক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা