kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

গর্ভপাতে সমানাধিকার পাবে বিবাহিত-অবিবাহিত উভয়ই

ভারতের ‘মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট’ (শারীরিক কারণে গর্ভপাত) অনুসারে বিবাহিতদের ক্ষেত্রেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সব নারী নিরাপদে গর্ভপাত করানোর অধিকার পাবেন বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও অবিবাহিত পার্থক্য করা অসাংবিধানিক। গতকাল বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন।

ভারতের ‘মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট’ (শারীরিক কারণে গর্ভপাত) অনুসারে বিবাহিতদের ক্ষেত্রেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আদালত জানান, বিবাহিতরাও সে ক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার নারীদের মতো সুবিধা পাবেন। আর বৈবাহিক অবস্থা কোনোভাবেই একজন নারীকে গর্ভপাতের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।

একজন অবিবাহিত নারী গর্ভধারণের ২৪ সপ্তাহের মধ্যে নিরাপদে গর্ভপাত করাতে পারবেন বলে রায়ে বলা হয়েছে। আদালত রায়ে বলছেন, গর্ভপাত আইনে একজন বিবাহিত ও অবিবাহিত নারীর মধ্যে পার্থক্য করা কৃত্রিম এবং তা সাংবিধানিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

২৫ বছর বয়সী অবিবাহিত এক নারীর করা আবেদনের ভিত্তিতে এই যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। তিনি দিল্লির নিম্ন আদালতের এক আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন। ওই আদালতের রায়ে বলা হয়, বিবাহিত না হওয়ায় তিনি গর্ভপাত করানোর অধিকার পাবেন না। দুই পক্ষের সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্কের ফলে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। আপিলের আবেদনে ওই নারী উল্লেখ করেন, তিনি ২৩ সপ্তাহের গর্ভবতী এবং সঙ্গী তাঁকে বিয়ে করতে অসম্মতি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারী আরো জানান, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বড় এবং তাঁর মা-বাবা দরিদ্র কৃষক। পরিবারের এমন অবস্থায় একা তাঁর পক্ষে নবজাতকের দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়।

সর্বোচ্চ আদালত গর্ভপাত আইনে ‘স্বামী’র পরিবর্তে ‘সঙ্গী’ শব্দটি ব্যবহারের জন্যও বলেছেন। সূত্র : এনডিটিভি

 

 

 



সাতদিনের সেরা