kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিশ্লেষকদের অভিমত

নজর দিতে হবে প্রধানমন্ত্রিত্বেও

কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্বাধীন ও বলিষ্ঠ নেতা প্রয়োজন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর পদ বিবেচনায় রেখে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি নির্বাচন করতে হবে, এমনটি মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, গান্ধী পরিবারের প্রভাবমুক্ত একজন বলিষ্ঠ নেতাই পারেন বিজেপির আগ্রাসী রাজনীতি মোকাবেলা করতে।

কংগ্রেসের আসন্ন সভাপতি নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে দলটির ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে বিশ্লেষকরা নানামুখী মন্তব্য করছেন। সম্প্রতি ভারতের একটি গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে রাজনৈতিক বিশ্লেষক রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, কংগ্রেসের নতুন সভাপতিকে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ক্ষমতা অর্জন করতে হবে এবং তিনি হবেন ‘অ-গান্ধী’।

বিজ্ঞাপন

দলটির সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এরই মধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন লোকসভার সাংসদ সাবেক মন্ত্রী শশী থারুর। রাজস্থানে শচিন পাইলটের বিরুদ্ধে দলীয় অন্তঃকোন্দল উসকে দিলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৌড় থেকে এখনো ছিটকে যাননি রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত।

বিজেপি বরাবরই কংগ্রেসকে গান্ধীদের ‘পারিবারিক রাজত্ব’ বলে আখ্যা দেয়। এ বিষয়ে রুদ্রনীল ঘোষ মনে করেন, নতুন সভাপতি গান্ধীদের ‘পুতুল’ হলে বিজেপি এই পুরনো আক্রমণ আবার তুলে ধরবে। সে ক্ষেত্রে কংগ্রেস তাদের সংকট থেকে বের হতে হিমশিম খাবে। দীর্ঘদিন ধরে অন্য পর্যবেক্ষকরাও এ কথা বলে আসছেন। কিন্তু গান্ধীদের প্রভাবমুক্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশ এখনো পরিষ্কার নয়।  

এ বিষয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, দলের সভাপতি নির্বাচনের ব্যস্ততার মধ্যে রাহুল গান্ধী পাঁচ মাসব্যাপী দলীয় কর্মসূচি ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ নিয়ে রাজ্যে রাজ্যে ঘুরছেন। এতে কর্মীদের কাছে রাহুল কংগ্রেসের প্রধান নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরো শক্ত করছেন। এর মধ্য দিয়ে রাহুল সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্বের ওপর প্রভাব তৈরি করছেন কি না, সেই আশঙ্কা জাগছে। ‘পুতুল’ নেতৃত্বের শঙ্কাও সমানভাবে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে।

রাজস্থানের কংগ্রেস বিধায়কদের সাম্প্রতিক বিদ্রোহের ইঙ্গিত সম্পর্কে রুদ্রনীল ঘোষের অভিমত, অশোক গহলৌত কিংবা তাঁর অনুসারী বিধায়করা কেউ সর্বভারতীয় সভাপতির পদকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। কারণ তাঁরা মনে করেন, সভাপতিকে গান্ধীদের অঙ্গুলিহেলনে চলতে হবে।

এসব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষকরা মনে করেন, ২০২৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ইতিবাচক ফল করতে হলে কংগ্রেসের নতুন সভাপতিকে প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী হিসেবে দেখাতে হবে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া



সাতদিনের সেরা