kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

অনাবৃষ্টি খরা দাবানলে বিপর্যস্ত বিশ্বের এপার-ওপার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলতি বছর সময়ের আগে বর্ষা এলেও যথেষ্ট বৃষ্টি হয়নি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। প্রায় একই পরিস্থিতি চলছে দেশটির আরো কিছু রাজ্যে। এদিকে দাবানলে পুড়ছে স্পেনের পূর্বের প্রদেশ ভ্যালেন্সিয়া, প্রবল বাতাসের কারণে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে আগুন। এসবের বিপরীতে শক্তিশালী ঝড়ে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপের তিনটি দেশে।

বিজ্ঞাপন

ভারতে খরার ঝুঁকি

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের অভাব দেখা গেছে ভারতের ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ ও বিহারে। অনাবৃষ্টির মুখে এসব অঞ্চলে এখন খরা পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে বিষয়টি বিরূপ প্রভাব ফেলেছে ধান উৎপাদনে।

এ বছর ভারতে সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে উত্তর প্রদেশে। স্বাভাবিক বর্ষাকালের তুলনায় ৪৪ শতাংশ কম বৃষ্টি দেখেছে রাজ্যটি। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

অনাবৃষ্টি ও খরার ঝুঁকির এ পরিস্থিতি শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বহু দেশেই চোখে পড়ছে সাম্প্রতিক সময়ে।

স্পেনে দাবানল

এদিকে দাবানলে পুড়ছে স্পেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ভ্যালেন্সিয়া। এরই মধ্যে ১২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলা ওই আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে ৫০ হাজার একর। পঞ্চম দিনের মতো পুড়তে থাকা ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৩৫টি আকাশযান মোতায়েন করেছে দেশটির সরকার।

ভারি বৃষ্টিপাতে গত বৃহস্পতিবারের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করেছিলেন ভ্যালেন্সিয়ার আঞ্চলিক সরকারের বিচারপ্রধান। তবে তাঁর শঙ্কা ছিল জোরে বইতে থাকা বাতাস নিয়ে। শেষ পর্যন্ত শঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। গতকাল শুক্রবারও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। উল্টো নিকটবর্তী এক পার্কে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইউরোপের তিন দেশে ঝড়

বিশ্বের একেক প্রান্তে মারাত্মক শুষ্ক আবহাওয়ার ভোগান্তির মধ্যেই মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপের তিন দেশে শক্তিশালী ঝড়ে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে। প্রবল ঝড়ে আহত হয়েছে বহু মানুষ। বেশির ভাগই প্রাণ হারিয়েছে ঝড়ে উপড়ে যাওয়া গাছের নিচে চাপা পড়ে। ইতালি, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে এসব প্রাণহানি ঘটেছে। ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপেই মারা গেছে ছয়জন।

সূত্র : এএফপি, বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার

 

 

 

 



সাতদিনের সেরা