kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভেন্টিলেটরে রুশদি হারাতে পারেন চোখ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেন্টিলেটরে রুশদি হারাতে পারেন চোখ

সালমান রুশদি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে গত শুক্রবার হামলার শিকার ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি (৭৬) অস্ত্রোপচারের পর ভেন্টিলেটরে ছিলেন। ছুরির বেশ কয়েকটি আঘাতের শিকার রুশদি কথা বলতে পারছেন না। তাঁর একটি চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এজেন্ট অ্যান্ড্রিউ ওয়াইলি।

এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ লেখকের এজেন্ট বলেন, ‘রুশদি একটি চোখ হারাতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

তাঁর হাতের অবস্থা গুরুতর। ছুরিকাঘাতের ফলে লিভারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ’

নিউ ইয়র্কের এক সাহিত্য অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনার পরপরই রুশদিকে হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার শরীরে অস্ত্রোপচার চলে।

রুশদির দেশ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁসহ কয়েকজন দেশি-বিদেশি নেতার পাশাপাশি অনেক সাহিত্যিক রুশদির ওপর হামলার নিন্দা করেছেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ বলেন, সালমান রুশদি ‘স্বাধীনতার মূর্তপ্রতীক’ এবং তাঁর যুদ্ধ আমাদের সবার, পুরো বিশ্বের।

মহানবীর (সা.)-এর কার্টুন প্রকাশ করে বিতর্কিত ব্যঙ্গাত্মক ফরাসি পত্রিকা শার্লি এবদো বলেছে, ‘ফতোয়া, হত্যার আদেশ কোনোভাবেই ন্যায়সংগত হতে পারে না। ’ 

ইরানের রক্ষণশীল গণমাধ্যম রুশদির ওপর চালানো হামলাকে স্বাগত জানিয়েছে। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদপত্র বলেছে, ‘খুর দিয়ে শয়তানের গলা কাটা হয়েছে। ’

অতি রক্ষণশীল সংবাদপত্র কায়হান লিখেছে, ‘নিউ ইয়র্কে ধর্মত্যাগী ও বিকৃত রুচির সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী সাহসী ও কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তিকে সাধুবাদ জানাই। ’ ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনিই প্রথম বিতর্কিত স্যাটানিক ভার্সেস উপন্যাসের জন্য রুশদির মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া দিয়েছিলেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের অনেকের কঠোর সমালোচনার শিকার ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ উপন্যাস লেখার জন্য রুশদি অনেক দিন ধরেই হুমকির মুখে ছিলেন। বইটির বিষয়বস্তু অনেক মুসলিমকে আহত করেছিল।

রুশদির ওপর হামলাকারীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এখনো পরিষ্কার নয়।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত সালমান রুশদি ১৯৮১ সালে ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সাহিত্য সমালোচকরা তাঁকে বিশ্বের কৃতী লেখকদের একজন মনে করেন। তবে চতুর্থ বই ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ দিয়ে তিনি বিতর্কিত হয়ে ওঠেন। সূত্র : এএফপি, বিবিসি



সাতদিনের সেরা