kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ অক্টোবর ২০২২ । ২১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

নদীর প্রাণবৈচিত্র্যের বড় ক্ষতি শুষ্ক আবহাওয়ায়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নদীর প্রাণবৈচিত্র্যের বড় ক্ষতি শুষ্ক আবহাওয়ায়

আগে থেকেই দূষণ ও সুপেয় পানি সংগ্রহের চাপ সহ্য করতে হচ্ছিল যুক্তরাজ্যের নদীগুলোকে। এখন নদীর প্রাণিকুলের ওপর ‘গুরুতর’ প্রভাব ফেলছে দীর্ঘমেয়াদি শুষ্ক আবহাওয়া। দেশটির পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর সূত্রে এই কথা জানা গেছে।

বিশেষ করে পাথুরে প্রবাহ বা ‘চক স্ট্রিমস’ নদীগুলো ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ধরনের নদীগুলো ঝরনা থেকে উৎপান্ন হয়ে বয়ে যায়। এর তলদেশে থাকে পাথর। এ ধরনের নদীতে চোখে পড়ে স্যামন মাছ, মাছরাঙা পাখি এবং ভোঁদড়ের মতো প্রাণী।

সব মিলিয়ে বিশ্বে এ ধরনের নদী রয়েছে মাত্র ২০০টি। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশের অবস্থানই দক্ষিণ এবং পূর্ব ইংল্যান্ডে। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের রিভারস ট্রাস্ট সংস্থার ক্রিস্টিন কোলভিন বলেন, ‘এটিই আমাদের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বা আমাদের আমাজন বন। বৈশ্বিক বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে আমাদের নিজস্ব অবদান। ’

দক্ষিণ এবং পূর্ব ইংল্যান্ডের পাথুরে তলদেশের এই নদীগুলো ওই অঞ্চলের পানির আধার হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। ওই অঞ্চলে সরবরাহ করা পানির বড় অংশ আসে এই নদীগুলো থেকে। প্রতিদিনের হিসাবে যা লাখ লাখ লিটার।

রিভারস ট্রাস্ট সংস্থার ক্রিস্টিন কোলভিন জানিয়েছেন, কিছু ছোট ‘চক স্ট্রিম’ শুকিয়ে যাওয়া শুরু করেছে। অন্যদিকে বড় নদীগুলোতে কমে যাচ্ছে প্রবাহ।

তিনি বলেন, ‘এগুলোর বন্য প্রাণী আগে থেকেই উচ্চ তাপমাত্রার জন্য বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। পানির স্তর ক্রমেই আরো নিচে নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আবাসের আকারও কমছে। ’

একই কথা বলছেন হ্যাম্পশায়ার এবং আইল অব ওয়াইট ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টের সংরক্ষণ ব্যবস্থাপক জেমি মার্শ। তিনি বলেছেন, ওই অঞ্চলে নদীর পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় বন্য প্রাণীর জন্য ‘গুরুতর পরিস্থিতি’ সৃষ্টি হয়েছে।

কোলভিন আরো বলেন, ‘আমাদের পানিসম্পদ খুব চাপের মুখে রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি খরা আমাদের এই সমস্যাগুলোকে বাড়িয়ে তুলছে। আমরা এখন যা করতে পারি তা হলো সম্মিলিতভাবে পানি ব্যবহারের পরিমাণের দিকে নজর রাখা। আমরা চেষ্টা করতে পারি নিজেদের খরচ কমাতে। ’

জেমি মার্শ আরো উল্লেখ করেন, ‘আমাদের অনেক নদীই স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। এগুলোকে ব্যাপকভাবে বদলে ফেলা হয়েছে। ’

‘বৃষ্টির পানি পান করা অনিরাপদ’

বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে বিশ্বের সব জায়গায় এখন বৃষ্টির পানি পান করা অনিরাপদ। পিএফএএস নামে পরিচিত ওই রাসায়নিক উপাদানগুলো সর্বশেষ নির্দেশনার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বলেই উঠে এসেছে স্টকহোম ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায়।

সাধারণত রাসায়নিক উপাদানগুলোকে বলা হয় ‘অনন্ত কালের রাসায়নিক’। কারণ এগুলো নিঃশেষ হয় অত্যন্ত ধীরে। এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে প্রকাশিত গবেষণায় প্রধান গবেষক ইয়ান কাজিনস বলেন, ‘আমাদের পরিমাপ অনুসারে, বিশ্বে এখন এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে বৃষ্টির পানি পান করা নিরাপদ। ’ সূত্র : এএফপি, বিবিসি



সাতদিনের সেরা