kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

জলবায়ু খাতে মার্কিন ইতিহাসে বৃহত্তম অঙ্কের বিল পাস

বিলটি পাস করার জন্য অনেক সমঝোতা করতে হয়েছে, জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলবায়ু খাতে মার্কিন ইতিহাসে বৃহত্তম অঙ্কের বিল পাস

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সিনেটে জলবায়ু সংকট নিরসনে গত রবিবার একটি বড় অঙ্কের বিল পাস হয়েছে। বলা হচ্ছে, দেশটির ইতিহাসে এটি জলবায়ু খাতে বৃহত্তম বিনিয়োগ হতে যাচ্ছে। আর্থিক মূল্যমানে এর পরিমাণ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার।

২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এই বিলে।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য এই বিলে কেবল জলবায়ু পরিবর্তন রোধই একমাত্র বিষয় নয়, আছে করনীতি ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ও। সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার কোটি ডলারের বিল এটি। বিলটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস আইন’।

এই বিল প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কংগ্রেসে এই বিল হওয়ার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আইনে পরিণত হওয়ার আগে বিলটি আগামী সপ্তাহে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) উঠবে। সেখানে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিলটি পাসের সম্ভাবনাই বেশি। বলে রাখা ভালো, গত রবিবার সিনেটে বিলটি পাস হলেও তাতে কোনো রিপাবলিকান সদস্য ভোট দেননি। সিনেটে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের ৫০-৫০ অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে টাইব্রেকারের ভূমিকা রেখেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

সিনেটে বিলটি পাস হওয়ায় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এর জন্য অনেক সমঝোতা করতে হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গেলে প্রায় সব সময় সমঝোতা করতে হয়। এখন প্রতিনিধি পরিষদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব বিলটি পাস করা এবং আমি এতে স্বাক্ষর করে এটিকে আইনে রূপ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। ’

সিনেটে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা শিবির বিলটি ঠেকাতে তৎপর ছিল। তারা বিপুল অঙ্কের এই বিলকে অপব্যয়সূচক বলছে। রিপাবলিকান সিনেটর মিচ ম্যাককনেল অভিযোগ করেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক বিপর্যয় দ্বিগুণ করতে’ ডেমোক্র্যাটরা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

সূত্র : এএফপি ও বিবিসি



সাতদিনের সেরা