kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বাড়ি নেই, যাব কোথায় : বিক্রমাসিংহে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাড়ি নেই, যাব কোথায় : বিক্রমাসিংহে

রনিল বিক্রমাসিংহে

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগ চেয়ে তাঁকে বাড়ি ফিরে যেতে বলছে বিক্ষোভকারীরা। হুমকিও পাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট। এবার তাদের দিকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘আমার বাড়ি তো আর রাখেননি, তাহলে যাব কোথায়?’

দেশজুড়ে চলা চরম আর্থিক সংকটের প্রতিবাদে গত ৯ জুলাই বিক্রমাসিংহের বাড়ি জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। ক্যান্ডি শহরে এসে সম্প্রতি বিক্রমাসিংহে জানান, প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার দাবি না মানলে আর বড় প্রতিবাদে নামার হুমকি দিয়ে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে বিক্ষুব্ধদের একাংশ।

বিজ্ঞাপন

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা করে কী লাভ? দয়া করে এটা করবেন না। কারণ আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। যার বাড়িটাই আর নেই, তাকে তো বাড়ি যেতে বলে কোনো লাভ নেই। ’

এরপর বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘আগে বরং আমার বাড়িটা ঠিক করে দেওয়া হোক। তারপর না হয় আমাকে বাড়ি পাঠানোর দাবি জানানো যাবে। ’

বিক্রমাসিংহের মতে, বিক্ষোভকারীদের সামনে এখন দুটি রাস্তা খোলা। হয় তাঁর বাড়ি ঠিক করে দিক, নয়তো দেশ গড়ার কাজে হাত লাগাক।

বিক্রমাসিংহের দাবি, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ-প্রতিবাদের জেরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তি অহেতুক পিছিয়ে গেছে। এই চুক্তি দেশকে আর্থিক দুরবস্থা থেকে বের করে আনার ক্ষেত্রে অনেকটাই কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে বলে জানান তিনি।

বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ ধরে খাদ্য এবং জ্বালানির অভাবকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভ পরিস্থিতির কারণেই ওই চুক্তি নিয়ে দর-কষাকষি স্থগিত হয়ে গেছে। ’ আইএমএফের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত অন্য দেশগুলোও শ্রীলঙ্কার দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানোর বিষয়ে পিছিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

তাঁর দাবি, বিক্ষোভ পরিস্থিতি তৈরি না করে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত, দেশের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করায় মনোযোগ দেওয়া। তাঁর মতে, যে আর্থিক সংকটের মুখে দেশ এখন দাঁড়িয়ে তার জন্য একমাত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের দিকে আঙুল তুলে কোনো লাভ নেই। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা



সাতদিনের সেরা