kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

প্রতিদিন শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেন ছাড়ার আশা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রতিদিন শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেন ছাড়ার আশা

ইউক্রেন থেকে প্রতিদিন একটি করে শস্যবাহী জাহাজ বিশ্ববাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার আশা করছেন তুরস্কের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই তুর্কি কর্মকর্তা বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রথম জাহাজ ছাড়তে দুই দিন দেরি হয়েছে। ওই ত্রুটি এখন সমাধান করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় বন্দর থেকে শস্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের করিডর ঠিকভাবে কাজ করবে বলেও আশা করছে তুরস্ক।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘অস্বাভাবিক কিছু না ঘটলে কিছু সময়ের জন্য দিনে একটি করে জাহাজ রওনা করানোর মাধ্যমে (শস্য) রপ্তানিকাজ চলবে। ’

তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গত মাসে শস্য ও সার রপ্তানি নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, গত সোমবার প্রথম শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর ছেড়ে যায়। রাশিয়া-ইউক্রেনের ওই শস্যচুক্তিতে ওডেসার পাশাপাশি ইউক্রেনের আরো দুটি বন্দর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ওডেসা বন্দর ছেড়ে যাওয়া সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী ‘রেজোনি’ নামের জাহাজটি ২৬ হাজার ৫২৭ টন ভুট্টা নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছানোর কথা। কৃষ্ণ সাগরে বৈরী আবহাওয়া তৈরি হওয়ায় সম্ভাব্য এ সময়ে পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে সব বাধা পেরিয়ে জাহাজটি ঠিক পথে আছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক।

ইস্তাম্বুলে পৌঁছালে প্রথমে যৌথ সমন্বয় কেন্দ্রের (জেসিসি) মাধ্যমে রাশিয়া, ইউক্রেন, তুরস্ক ও জাতিসংঘ শস্যের চালান পর্যবেক্ষণ ও তল্লাশির কাজটি করবে। তল্লাশি শেষে জাহাজটি লেবাননের উদ্দেশে রওনা করবে।

বিশ্বের অন্যতম খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশ ইউক্রেন। যুদ্ধের জেরে পাঁচ মাসের বেশি সময় দেশটি থেকে রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকট দেখা দেয় এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়তে থাকে। শস্য রপ্তানি শুরু হওয়ায় এই সংকট কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাওয়ার অব সাইবেরিয়া পাইপলাইন দিয়ে চীনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বাড়িয়েছে রাশিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কম্পানি গ্যাজপ্রম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে চীনে গ্যাসের রপ্তানি বেড়েছে ৬০.৯ শতাংশ। বিশেষ করে জুলাই মাসে চুক্তির চেয়েও প্রতিদিন বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। গ্যাজপ্রম বলছে, ঐতিহাসিক চুক্তির চেয়ে প্রতিদিন প্রায় তিন গুণ বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটসের বাইরের দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহ শতকরা ৩৪.৭ শতাংশ কমানো হয়েছে। তবে ক্রেতা দেশগুলোর অনুরোধ অনুসারেই গ্যাসের সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে গ্যাজপ্রম।

প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বৈশ্বিক চাহিদা অনুসারে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কম রপ্তানি হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স



সাতদিনের সেরা