kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প

অর্থায়ন বন্ধের প্রতিশ্রুতি জি-৭-এর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধে ২০২২ সালের শেষ নাগাদ বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে অর্থায়ন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো। দেরিতে হলেও গত শুক্রবার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছে জোটের অন্যতম জাপান।

বার্লিনে এসংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে এক যৌথ বিবৃতিতে জি-৭-এর জ্বালানি ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রীরা বলেন, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত বছর গ্লাসগোতে কপ-২৬ জলবায়ু সম্মেলনে দেওয়া বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বন্ধ করা।

বিজ্ঞাপন

সে সময় যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করলেও বিরত ছিল জাপান।

জলবায়ু নীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইথ্রিজির জ্যেষ্ঠ সহযোগী অ্যালডেন মেয়ার বলেন, বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে অর্থায়ন বন্ধে জি-৭ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থায়নকারী দেশ জাপানের একমত হওয়া খুবই ভালো খবর।

২০৩৫ সালের মধ্যে নিজেদের বিদ্যুত্ খাতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় জি-৭ভুক্ত দেশগুলোর আলোচনায়। মন্ত্রীরা বলেন, ‘২০৩৫ সালের মধ্যে বিদ্যুত্ খাতে কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য এবং তা অর্জনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ’

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে নতুন করে জীবাশ্ম জ্বালানি খাতে সব ধরনের অর্থায়ন তাত্ক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে হবে।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে জি-২০ভুক্ত দেশগুলো আন্তর্জাতিক তেল, কয়লা ও গ্যাস প্রকল্পে ১৮৮ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে। এসব জীবাশ্ম জ্বালানির দহন থেকেই পৃথিবীকে উষ্ণ করে তোলা গ্রিনহাউসের বড় অংশ নিঃসৃত হয়। সূত্র : এএফপি

 



সাতদিনের সেরা