kalerkantho

রবিবার । ৩ জুলাই ২০২২ । ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ । ৩ জিলহজ ১৪৪৩

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

দোনবাসে যুদ্ধের তীব্রতা ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’

সেনা ও সরঞ্জাম সংখ্যায় ইউক্রেনীয়দের ছাড়িয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী : জেলেনস্কি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দোনবাসে যুদ্ধের তীব্রতা ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কেন্দ্রবিন্দু দোনবাসে বাছবিচারহীনভাবে চলছে ধ্বংসলীলা। বেসামরিক অবকাঠামোগুলোও রুশ হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। গত বুধবারও অন্তত ৪০টি শহরে রুশ বাহিনী গোলা নিক্ষেপ করেছে। এতে অন্তত পাঁচ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ধ্বংস হয়েছে প্রায় ৪৭টি বেসামরিক স্থাপনা। সেখানে যুদ্ধের তীব্রতা ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

দোনবাসের বিভিন্ন অংশে হামলা চললেও তীব্রতা সবচেয়ে বেশি সেভেরোদোনেত্স্ক শহর ঘিরে। শহরটির তিন দিক এরই মধ্যে রুশ বাহিনী ঘিরে ফেলেছে। বাকি রয়েছে শুধু পশ্চিম দিক।

সেভেরোদোনেেস্কর পাশাপাশি ক্রামাতোরস্ক শহরেও বেসামরিক নাগরিকরা আটকে পড়েছে। দুই শহরের বাসিন্দারা নিজেরাই পালানোর চেষ্টা করছে। কোনো রকমে একটা ব্যাগ গুছিয়ে কপর্দকশূন্য অবস্থায় তারা রাস্তায় নামছে, কিন্তু জানে না গন্তব্য।

সেভেরোদোনেত্স্ক ও ক্রামাতোরস্ক শহর দুটিতে রুশ বাহিনী যেন ‘সব জ্বালিয়ে দেওয়ার নীতি’ গ্রহণ করেছে, এমনটা বলেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। অভিযোগ শুধু তাদের দিক থেকে নয়, একই কথা বলছে সাধারণ মানুষ।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি দোনবাসের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে প্রথমেই বলেন, ‘ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী, আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ এবং যারা রাষ্ট্রকে রক্ষায় লড়াই করছে, তাদের সবাই পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনীর চরম ভয়াবহ হামলা সামাল দিচ্ছে। ’ রুশ বাহিনীর তৎপরতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘কিছু এলাকায় শত্রুপক্ষ সরঞ্জাম ও সেনা সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য হারে আমাদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রুশ কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা চুক্তিতে বয়স্কদের ভাড়া করছে। এর মানে হলো তাদের হাতে আর কোনো তরুণ বয়সী জনগোষ্ঠী নেই, কিন্তু যুদ্ধ করার অভিপ্রায়টা এখনো রয়ে গেছে। ’

এ ছাড়া ইউক্রেনের ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী গানা মালিয়ার গতকাল বৃহস্পতিবার দোনবাস যুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, ‘যুদ্ধের তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শত্রুপক্ষ আমাদের সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিভিন্ন দিক থেকে একযোগে হামলা চালিয়ে তছনছ করে দিচ্ছে। আমরা চরম কঠিন পরিস্থিতিতে আছি এবং আমাদের সামনে দীর্ঘ যুদ্ধ রয়েছে। ’

সূত্র : এএফপি

 



সাতদিনের সেরা