kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

নিষেধাজ্ঞা তুললে খাদ্যসংকট কাটবে : রাশিয়া

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিষেধাজ্ঞা তুললে খাদ্যসংকট কাটবে : রাশিয়া

দনবাসের ক্রামাতোরস্ক এলাকায় বিধ্বস্ত এক ভবন। ছবি : এএফপি

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন রাশিয়ার ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে, সেগুলো তুলে নিলে তা বৈশ্বিক খাদ্যসংকট কাটাতে সহায়ক হবে—এমন মন্তব্য করেছে রাশিয়ার ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দে রুদেংকো।

গতকাল বুধবার রুশ সংবাদ সংস্থাগুলোকে তিনি বলেন, ‘খাদ্যসংকট সমাধানের জন্য বিস্তৃত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে রুশ রপ্তানি ও আর্থিক লেনদেনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি রয়েছে। ইউক্রেনের যেসব বন্দরে জাহাজ ভেড়ে সেগুলোকে মাইনমুক্ত করাও দরকার।

বিজ্ঞাপন

প্রয়োজনীয় মানবিক পথ দিতে রাশিয়া প্রস্তুত। ’

ইউক্রেনে যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার ওপর একগাদা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র দেশগুলো। সেই সঙ্গে তারা অভিযোগ করছে, ইউক্রেনের যেসব এলাকা রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, সেসব এলাকা থেকে তারা ইউক্রেনীয় শস্য সরিয়ে ফেলছে এবং ক্ষুধাকে একটা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে রুশ মন্ত্রী রুদেংকো বলেন, ‘আমি জোরালোভাবে অভিযোগ অস্বীকার করছি। আমরা কারো কাছ থেকে চুরি করি না। ’

এদিকে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রুশ দাবির নিন্দা জানিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে বলেন, ‘এটা স্পষ্ট ব্ল্যাকমেইল। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ব্ল্যাকমেইল করার ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভালো উদাহরণ আপনি পাবেন না। ’

‘সব ধ্বংস করাই রুশ সেনাদের লক্ষ্য’ : ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানের চতুর্থ মাসে দোনবাস খ্যাত পূর্বাঞ্চলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে রুশ বাহিনী। বর্তমানে সেভেরোদোনেত্স্ক ঘিরে চলছে তাদের অভিযান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, রুশ বাহিনী শহরটি তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলেছে। বাকি রয়েছে শুধু পশ্চিম দিক। এ জন্য সাম্প্রতিক দিনগুলোয় পশ্চিম দিকে ছোট ছোট শহর ও গ্রামে হামলা জোরদার করেছে রুশ বাহিনী।

এ অবস্থায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া দৈনিক ভাষণের অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, দোনবাসের অবস্থা ‘অত্যন্ত কঠিন’। তাঁর ভাষায়, ‘সেখানে দখলদাররা সব ধ্বংস করে দিতে চায়। ’

এদিকে দোনবাসের লুহানস্ক প্রদেশের গভর্নর বলেছেন, অবরুদ্ধ সেভেরোদোনেত্স্ক শহরে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে রয়েছে। তাদের নিরাপদে সরানোর কাজে অনেক দেরি হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুলেবা জানান, শহরে এখনো ১৫ হাজার বাসিন্দা লুকিয়ে আছে। সূত্র : এএফপি

 



সাতদিনের সেরা