kalerkantho

রবিবার । ৩ জুলাই ২০২২ । ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ । ৩ জিলহজ ১৪৪৩

‘এটা কোনো জীবন নয়’

আতঙ্কে দিন কাটে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েলি সেনাদের অভিযান এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে জেনিন শরণার্থীশিবিরের বাসিন্দারা ভয় ও উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরে অবস্থিত জেনিন শরণার্থীশিবির সশস্ত্র কিছু ফিলিস্তিনি সংগঠনেরও ঘাঁটি। এ কারণে গত মার্চের শেষ দিকে কয়েকটি ইসরায়েলবিরোধী হামলার পর থেকে ক্রমাগত জেনিন শরণার্থীশিবিরে অভিযান চালিয়ে আসছে সেনারা।

সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার অভিযান এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘাতের ঘটনা দুই পক্ষের জন্য প্রায়ই প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়ায়।

বিজ্ঞাপন

গত ১১ মে জেনিন শরণার্থীশিবিরেই ইসরায়েলি অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আলজাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ। আলজাজিরার অভিযোগ, ইসরায়েলি সেনারা ঠাণ্ডা মাথায় শিরিনকে গুলি করেছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, সশস্ত্র ফিলিস্তিনিদের গুলিতেও শিরিনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

শিরিন আবু আকলেহ যেখানে নিহত হয়েছিলেন, সেই সড়কের পাশেই থাকে ১৬ বছর বয়সী কিশোর ওয়াইস। সে বলল, ‘আমরা সংঘাতের শব্দ শুনে ঘুমাতে যাই এবং ঘুম থেকে উঠি। তাই আমরা খুবই চিন্তিত ও ভীত। ’

শিবিরে শিরিনসহ অন্য ফিলিস্তিনি শহীদদের ছবি রয়েছে। গাঢ় রং ও কাঠকয়লায় ছবিগুলো আঁকা। অঙ্কনশিল্পী ফিদা সামার বলেন, ‘এটা কোনো জীবন নয়। আমরা সম্মানের সঙ্গে শান্তিতে বাঁচতে চাই। ’

তিন সন্তানের জননী আহলাম বেনারা বলেন, ‘আমার আট বছরের বাচ্চাটা স্কুলে যেতে চায় না। কারণ স্কুল মূল সড়কের পাশে অবস্থিত। ইসরায়েলি জিপগুলো সেই সড়ক ব্যবহার করে থাকে। ’

১৯৬৭ সালে ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষে জর্দানের কাছ থেকে পশ্চিম তীর দখল করে নেয় ইসরায়েল। বর্তমানে এই অঞ্চলের সব প্রবেশদ্বার নিয়ন্ত্রণ করে দেশটি।

পশ্চিম তীরে প্রায় চার লাখ ৭৫ হাজার ইসরায়েলি এবং ২৯ লাখ ফিলিস্তিনি বাস করে। তাদের  মধ্যে ১৪ হাজার ফিলিস্তিনির ঠিকানা জেনিন শরণার্থীশিবির।

সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা