kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন

প্রধান সূচকে বিপদের ইঙ্গিত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধান সূচকে বিপদের ইঙ্গিত

জলবায়ু পরিবর্তনের চার প্রধান সূচক ২০২১ সালে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। গতকাল বুধবার এ খবর জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিশ্ব সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি প্রক্রিয়া মানবজাতিকে বিপর্যয়ের মুখে নিয়ে দাঁড় করাচ্ছে।  

গত বছর গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, সামুদ্রিক তাপ এবং মহাসাগরের অম্লতা বৃদ্ধি—প্রতিটিই নতুন রেকর্ড গড়েছে।

বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডাব্লিউএমও) নিজেদের ‘২০২১ সালে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি  প্রক্রিয়া সঠিক পথে নেই এবং তা আমাদের জলবায়ু বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানি দূষণের ইতি টানতে হবে। একমাত্র আবাসস্থলটিকে নিঃশেষিত করে ফেলতে না চাইলে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি করতে হবে। ’

প্রতিবেদনটি নিশ্চিত করেছে, গত সাতটি বছর রেকর্ড হওয়া সর্বোচ্চ উত্তপ্ত সাত বছর। ২০২১ সালের শুরু এবং শেষে দুটি ‘লা নিনা’ হতে দেখা গেছে। গত বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রায় তা শীতল করার প্রভাবও রেখেছে। কিন্তু এর পরও বছরটি ছিল রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে উষ্ণতম বছরগুলোর একটি। গত বছরের বৈশ্বিক তাপমাত্রা ছিল প্রাক-শিল্প বিপ্লব যুগের প্রায় ১.১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এটি দেড় ডিগ্রির মধ্যে রাখাই লক্ষ্য।

ডাব্লিউএমও প্রধান পেট্টেরি টালাস মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের জলবায়ু আমাদের চোখের সামনেই বদলে যাচ্ছে। ’

যা চান জাতিসংঘ মহাসচিব

কয়লা, গ্যাস ও তেলের পরিবর্তে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে চলবে এমন বিশ্বে পা রাখতে কী করা প্রয়োজন, গতকাল তা তুলে ধরেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি মন্তব্য করেছেন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তিকে উন্মুক্তভাবে সহজলভ্য ‘বৈশ্বিক গণপণ্য’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যা মেধাস্বত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকবে না।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার মতে, কথিত ‘পেটেন্ট পুলিং’ একটি বিকল্প হতে পারে। এইচআইভি/এইডস বা যক্ষ্মার জীবন রক্ষাকারী ওষুধ দ্রুত বাজারে আনার জন্য প্রধান সারির ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তা করেছে। কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘মহাসচিব মনে করেন, মেধাস্বত্ব্বকে ঘিরে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন, কারণ আমরা একটি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। যদি আগে থেকেই একটি সমাধান প্রস্তুত থাকে, তাহলে কেন আমরা মেধাস্বত্ব নীতিমালা শিথিল করব না, যাতে এই সংকট মোকাবেলা সহজ হয়?’

সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা