kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশান্ত কিশোর

বিজেপিকে হারানো সম্ভব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিজেপিকে হারানো সম্ভব

প্রশান্ত কিশোর

ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) পরাজিত করা সম্ভব বলে মনে করেন দেশটির নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর। এর জন্য প্রয়োজনীয় বিরোধী ব্লক গঠনে তিনি সাহায্য করতে চান বলেও মন্তব্য করেছেন।

এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গত সোমবার প্রশান্ত কিশোর বলেন, ‘বিজেপিকে ২০২৪ সালের নির্বাচনে পরাজিত করা সম্ভব? উত্তর হলো, জোরালোভাবে হ্যাঁ। কিন্তু বর্তমানের প্রার্থী এবং কাঠামো দিয়ে কি তা সম্ভব? সম্ভবত না।

বিজ্ঞাপন

ভারতের পাঁচ রাজ্যে সামনের মাসে অনুষ্ঠেয় বিধানসভা নির্বাচনকে তিনি লোকসভা নির্বাচনের সেমিফাইনাল হিসেবে দেখছেন। বিধানসভা নির্বাচনকে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচনা করার ব্যাপারে সতর্ক করে প্রশান্ত বলেন, ‘এটা খুবই সম্ভব যে বিজেপি এই রাউন্ডে সব কিছু জিতবে এবং তার পরও ২০২৪ সালে হারতে পারে। ২০১২ সালে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টি জিতেছিল, উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস এবং মণিপুরে কংগ্রেস জিতেছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ফল ছিল একেবারেই ভিন্ন। ’

প্রশান্ত কিশোর যুক্তি দেন, কংগ্রেস বা তৃণমূল বা অন্য কোনো দল কিংবা এই দলগুলোর জোট যদি নিজেদের পুনর্গঠিত এবং যথেষ্ট তহবিল সংগ্রহ করে ওই ২০০ থেকে শখানেক আসন জেতার চেষ্টা করে তাহলে বিরোধীরা ২৫০ থেকে ২৬০ আসন পর্যন্ত পৌঁছাতেও পারে। ’

প্রশান্ত কিশোর আরো বলেন, ‘সুতরাং (বিজেপিকে পরাজিত করে) উত্তর ও পশ্চিমে আরো ১০০ আসন জেতা সম্ভব। আমি একটি বিরোধী ফ্রন্ট গঠনে সাহায্য করতে চাই, যারা ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে আরো শক্তিশালী হয়ে লড়াই করতে পারবে। ’

উত্তর প্রদেশে ফের ধাক্কা খেল কংগ্রেস : কংগ্রেসের তরফে গত সোমবার প্রকাশিত উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে তারকা প্রচারকের তালিকায় ছিল রঞ্জিত প্রতাপ নারায়ণ (আরপিএন) সিংয়ের নাম। আর গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সেই দল ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শামিল হন বিজেপিতে।

একদা গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ আরপিএন টুইটারে লিখেছেন, ‘এবার আমার নতুন সূচনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং নির্দেশে জাতি গঠনের কাজে অবদান রাখতে চাই। ’ সূত্র : এনডিটিভি



সাতদিনের সেরা