kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

পূর্ব ইউরোপে শক্তি বাড়াচ্ছে ন্যাটো

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পূর্ব ইউরোপে শক্তি বাড়াচ্ছে ন্যাটো

ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সেনা জড়ো করা নিয়ে উত্তেজনা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ন্যাটো মিত্ররা পূর্ব ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে জাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। পাশাপাশি সেনা মোতায়েন রেখেছে।

এ ছাড়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপসহ সমন্বিত প্রতিক্রিয়া দেখাতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও ইউরোপের মন্ত্রীরা গতকাল সোমবার ভিডিও লিংকের মাধ্যমে বৈঠকে বসেছেন।

ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ন্যাটো জোট তার পূর্ব অংশকে শক্তিশালী করাসহ জোটের মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।

বিজ্ঞাপন

আমাদের নিরাপত্তা পরিবেশের যে কোনো অবনতি হলে আমরা সর্বদা প্রতিক্রিয়া জানাব। ’

রাশিয়া গতকাল অভিযোগ করেছে, তথ্যগত বিভ্রান্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। দেশকে রক্ষার জন্য প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা একটি আক্রমণাত্মক পরিবেশের মধ্যে রয়েছি। ’

সম্প্রতি বাল্টিক রাজ্যগুলোতে একটি যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডেনমার্ক। স্পেনের মোতায়েন করা নৌবাহিনীর শক্তি আরো বাড়াচ্ছে এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে নেদারল্যান্ডস একটি জাহাজ ও স্থলভিত্তিক ইউনিট মোতায়েন রেখেছে।

পশ্চিমারা অভিযোগ করে আসছে, আক্রমণের উদ্দেশ্যে রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখ সেনা মোতায়েন করেছে। রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করলেও এ প্রেক্ষাপটে বাড়ছে উত্তেজনা। ন্যাটোর ইউরোপের আগের সদস্যরা এ পরিপ্রেক্ষিতে সামরিক শক্তি বাড়ানোর আহবান জানিয়ে আসছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের ইউক্রেনের দূতাবাসের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স ইউক্রেনে প্রয়োজন ছাড়া তাদের নাগরিকদের ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, তারা দূতাবাসের কিছু কর্মী ও তাদের স্বজনদের দেশটি থেকে প্রত্যাহার করছে। তবে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য দূতাবাস খোলা থাকবে।

এসব সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ইউক্রেন বলেছে, তারা মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ মাত্রাতিরিক্ত সতর্কতার প্রকাশ। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো আসেনি।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ইউরোপীয় শীর্ষ কূটনীতিক জোসেপ বোরেল বলেছেন, “রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা যখন অব্যাহত রয়েছে, তখন পরিস্থিতিকে ‘নাটকীয়’ করার প্রয়োজন নেই। সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই আমরা এটা করতে পারি না। ” সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা