kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

বিধানসভা নির্বাচন

উত্তর প্রদেশ ভোটে প্রিয়াঙ্কার বাজি নারী শক্তি নিয়ে

আমি নারী, লড়াই করতে পারি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উত্তর প্রদেশ ভোটে প্রিয়াঙ্কার বাজি নারী শক্তি নিয়ে

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ করে কারাগারে যাওয়া একজন অভিনেত্রী, ধর্ষণ থেকে বেঁচে যাওয়া একজনের মা এবং সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার এক বিজয়ী; এই সময়ে ভারতের ঐতিহ্যবাহী, একদা ব্যাপক প্রভাবশালী কংগ্রেস পার্টির প্রথম সারিতে রয়েছেন এই নারীরা। সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশের সম্ভাব্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতাপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনে দলটি যেন নিজেদের নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চায়।

উত্তর প্রদেশে নারী প্রার্থীর সংখ্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কৌশলের একটি অংশ। নারীদের প্রার্থী করে নির্বাচনে অংশ নিতে আকর্ষণীয় স্লোগানও ঠিক করা হয়েছে—‘লাড়কি হুঁ, লড় সাকতি হুঁ (আমি নারী, লড়াই করতে পারি)’।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটিতে নারী ভোটারদের গুরুত্ব দিয়ে এ স্লোগান ঠিক করা হয়েছে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ৪০ শতাংশ আসনেই নারী প্রার্থী রাখবেন। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিধানসভা ভোটের আগে ঘোষিত প্রথম ধাপের প্রার্থী তালিকায় নিজের অঙ্গীকার রেখেছেন তিনি। নারী ভোটারদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন, ‘যদি অতীতে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার লড়াই করা উচিত। অধিকার আদায়ের জন্য আপনার লড়াই করে ক্ষমতায় যাওয়া দরকার। ’ গত সপ্তাহে টুইটারে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এ কথা বলেছেন প্রিয়াঙ্কা। নারীদের গুরুত্ব দিয়ে করা কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা নতুন ধরনের রাজনীতি।

ভারতে ক্ষমতাধর নারী রাজনীতিবিদ বিরল নয়। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর দাদি ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর প্রদেশের নেত্রী মায়াবতী এবং দক্ষিণের জয়ললিতা (প্রয়াত) প্রভাবশালী রাজনীতিক হিসেবে সুপরিচিত। সাম্প্রতিককালে ভারতে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলই নারী ভোটারদের গুরুত্ব দিয়ে কর্মসূচি ঠিক করছে। তবে সে অনুসারে নারী আইন প্রণেতার সংখ্যা বাড়েনি। লোকসভায় নারী আইন প্রণেতার সংখ্যার ভিত্তিতে গত বছর বিশ্বের ১৯৩ দেশের মধ্যে ভারত ছিল ১৪৭তম অবস্থানে। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ যখন বিজয়ী হন, তখন দলটিতে নারী প্রার্থী ছিলেন এক-দশমাংশেরও কম। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে উত্তর প্রদেশের ভোটকে জাতীয় পর্যায়ে জনগণের মেজাজ বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কংগ্রেস গত নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে মাত্র সাতটি আসন পেয়েছিল। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দলটি পথ খুঁজে পেতে লড়াই করছে।

সূত্র : এনডিটিভি



সাতদিনের সেরা