kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

টোঙ্গায় অগ্ন্যুৎপাত ও সুনামি

প্রাণ-প্রতিবেশের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাগরতলে আগ্নেয়গিরিতে প্রচণ্ড অগ্ন্যুৎপাতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ টোঙ্গায় তাত্ক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি তো হয়েছেই, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। কেবল টোঙ্গায় নয়, আশপাশের স্থল ও জলভাগে কয়েক বছর ধরে অগ্ন্যুৎপাতের ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

গত শনিবারের ওই অগ্ন্যুৎপাতের পর বিজ্ঞানীরা জানান, অগ্ন্যুৎপাতের ফলে আগ্নেয়গিরি থেকে সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হচ্ছে। এ দুটি গ্যাস পানি ও অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে।

বিজ্ঞাপন

সেই প্রসঙ্গ টেনে ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ডের আগ্নেয়গিরিবিশারদ শেন ক্রনিন বলেন, টোঙ্গার আশপাশে কিছু সময়ের জন্য এসিড বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করছে টোঙ্গার ফসলাদি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  

স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা অবশ্য  জানান, অগ্ন্যুৎপাতে নির্গত গ্যাস পশ্চিম দিকে উড়ে যাচ্ছে।

এদিকে অগ্ন্যুৎপাতে বেরিয়ে আসা ছাই প্রবালপ্রাচীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে সতর্ক করছেন পরিবেশবিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অব গুয়ামের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ টম শিলস জানান, প্রবালপ্রাচীর আছে, এমন বিশাল এলাকা ছাইয়ে ঢেকে গেছে এবং সম্ভবত প্রবালপ্রাচীরগুলো প্রাণ হারিয়েছে। এ ছাড়া অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বেরিয়ে আসা অধিক আয়রন পানিতে মিশে প্রবালপ্রাচীরকে বিপন্ন করতে পারে বলেও জানান তিনি।

আশঙ্কা আরো আছে; টোঙ্গার উপকূলসংলগ্ন সাগরের মাছগুলো হয় মরে যাবে, নয়তো অন্য কোথাও চলে যাবে। এতে টোঙ্গাবাসী জীবন ও জীবিকা হুমকিতে পড়বে। উপকূলে আগের অবস্থা ফিরতে অথবা নতুন পরিবেশ তৈরি হতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে মনে করেন নিউজিল্যান্ডের ওটাগো ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ববিদ মার্কো ব্রেন্না। সূত্র : আলজাজিরা



সাতদিনের সেরা