kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

ইয়েমেনে সৌদি জোটের পাল্টা হামলায় নিহত ১৪

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইয়েমেনে সৌদি জোটের পাল্টা হামলায় নিহত ১৪

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলায় ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি। গতকাল তোলা। ছবি : এএফপি

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানায় সৌদি জোটের বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে আরো অনেকের মৃতদেহ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী, চিকিৎসা সূত্র ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কথা জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে গত সোমবারের ড্রোন হামলার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

হুতি বিদ্রোহীরা আবুধাবিতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্ঠা পর সানায় বিমান হামলা চালিয়ে দুটি বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে সৌদি জোট। স্থানীয় বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে কেউ জীবিত রয়েছে কি না তার সন্ধান করছে। আবুধাবি বিমানবন্দরের বাইরে নির্মাণকাজের স্থান ও অদূরের একটি তেল মজুদের জায়গায় সোমবারের হামলায় ভারতীয় ও পাকিস্তানিসহ তিনজন নিহত হয়।

আকরাম আল-আহদাল পাল্টা সৌদি হামলায় নিহত ব্যক্তিদের কয়েকজনের আত্মীয়। তিনি বলেন, ‘১৪ জন নিহত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এখনো অনুসন্ধান চলছে। ’

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ। আবুধাবিতে গত সোমবারের হামলার পর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ইউএই। আমিরাতে হুতিরা আগেও কয়েকবার হামলা চালানোর দাবি করলেও দেশটি তা অস্বীকার করে এসেছে। এবার কার্যত তারা এটি স্বীকার করল।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আল-এখবারিয়া টিভি টুইটে বলেছে, জোট মঙ্গলবার সানায় ‘হুতি শিবির এবং সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে’ নতুন হামলা শুরু করেছে।

সোমবার আবুধাবিতে ড্রোন হামলার পর অপরিশোধিত তেলের মূল্য সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। ওই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে এই হামলাকে আংশিক কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউএইর বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় তেল কম্পানির মজুদ স্থাপনার কাছে জ্বালানি ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে দেশটির পুলিশ সেখানে ‘উড়ন্ত বস্তু’ শনাক্ত করে। হুতিরা পরে দেশটির বাসিন্দাদের ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা’ এড়িয়ে চলার জন্য সতর্ক করে।

ইয়েমেনে সাত বছরের গৃহযুদ্ধে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দরিদ্রতম দেশটি লোহিত সাগরে একটি কৌশলগত স্থানে অবস্থান করছে, যা সম্পদ সমৃদ্ধ উপসাগর থেকে তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

 ইউএইর রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সোমবারের ওই হামলার পর সৌদি আরবের প্রকৃত শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ একটি ফোন কলে ‘এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথভাবে দাঁড়াতে’ সম্মত হন।

সূত্র : এএফপি, রয়টার্স



সাতদিনের সেরা