kalerkantho

বুধবার ।  ২৫ মে ২০২২ । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩  

বিরোধী দলনেতার অভিযোগ

বরিস জনসন দেশের আইন ভেঙেছেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বরিস জনসন দেশের আইন ভেঙেছেন

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির প্রধান কেয়ার স্টারমার গতকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে দেশের ‘আইন ভঙ্গের’ অভিযোগ এনেছেন। লকডাউন ভঙ্গ করে নিজের কার্যালয়ে পার্টি আয়োজনের একাধিক ঘটনা প্রকাশের পর বরিস জনসন গভীর সংকটে পড়েছেন। সব শেষ গতকাল রবিবার সামাজিক দূরত্ব ভেঙে আলিঙ্গনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

গণমাধ্যমে এরই মধ্যে ‘পার্টিগেট’ কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই সাম্প্রতিক ইস্যুতে লেবার দলের নেতা কেয়ার স্টারমার বিবিসিকে বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি (জনসন) আইন ভেঙেছেন।

বিজ্ঞাপন

আমি মনে করি, কার্যত তিনি আইন ভাঙার কথা স্বীকারই করেছেন। ’ বিরোধী নেতা আরো বলেন, ‘সু গ্রের কাজ শুধু কী ঘটেছে তা বের করা। তার রিপোর্ট প্রকাশের পর পুলিশকে সম্ভাব্য ফৌজদারি অপরাধমূলক তদন্ত করতে হবে। ’

আমলা সু গ্রেকে ডাউনিং স্ট্রিটের লকডাউন বিধিভঙ্গের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কেয়ার স্টারমার আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর পদের অবমূল্যায়ন করেছেন। তিনি নিজ দলের তো বটেই, দেশেরও কর্তৃত্ব হারিয়েছেন। ’ 

কনজারভেটিভ দলের কো-চেয়ারম্যান এবং সরকারের মন্ত্রী অলিভার ডাউডেন স্বীকার করেছেন, ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি আয়োজনের বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’।

এদিকে গতকাল সানডে টেলিগ্রাফের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত এক ছবিতে দেখা যায়, বরিস জনসনের স্ত্রী ক্যারি জনসন ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে এক পার্টিতে এক বন্ধুকে আলিঙ্গন করছেন। ওই সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কঠোর বিধি-নিষেধ বহাল ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে করোনাভাইরাস মহামারির সময় পার্টিকাণ্ডে বিপাকে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনসন ও তাঁর সহকর্মীরা। এ নিয়ে নিজ দলের অনেক নেতা তাঁর সমালোচনায় সরব। এরই মধ্যে নিজ দলের ছয় আইন প্রণেতা তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন। অন্য আইন প্রণেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা সু গ্রের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ অনেক মন্ত্রী নানা ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যের বিবরণ দিয়ে তাঁর পাশে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

কনজারভেটিভ আইন প্রণেতারা অনেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে আইন ভঙ্গের ঘটনায় ভোটারদের ক্ষুব্ধ বার্তা তাঁদের প্রভাবিত করছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্বীকৃতির পর ২০২০ সালের মে মাসে ডাউনিং স্ট্রিটে আয়োজিত একটি পার্টিতে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করে সম্প্রতি পার্লামেন্টে ক্ষমা চান বরিস জনসন। সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা