kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

অখিলেশের সঙ্গী হলেন বিজেপিত্যাগী দুই নেতা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অখিলেশের সঙ্গী হলেন বিজেপিত্যাগী দুই নেতা

স্বামী প্রসাদ মৌর্যের পাশে অখিলেশ যাদব (ডানে)

উত্তর প্রদেশের বিধানসভার মন্ত্রিত্ব এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দুটোই ছেড়ে দেওয়া দুই দলিত নেতা অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়েছেন। ‘শুক্রবারই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে’, এমন অঙ্গীকার রক্ষা করে গতকাল অখিলেশের দলে যোগ দেন স্বামী প্রসাদ মৌর্য ও ধরম সিং সাইনি। এই দুই নেতার পথ ধরেছেন রাজ্যের বিজেপিত্যাগী আরো পাঁচজন বিধায়ক।

আসছে ফেব্রুয়ারিতে উত্তর প্রদেশ, গোয়াসহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে। এর আগে উত্তর প্রদেশে বিজেপিতে টানাপড়েন শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে ওই রাজ্যে একের এক পর এক দলিত নেতা বিজেপি ছাড়তে শুরু করেন। দলত্যাগী এই নেতারা অখিলেশ যাদবের সঙ্গী হচ্ছেন, এমন খবর তখনই জানাতে থাকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। এর প্রতিক্রিয়ায় গত বুধবার স্বামী প্রসাদ মৌর্য এনডিটিভিকে বলেন, ‘১৪ জানুয়ারি সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।’ গতকাল বাস্তবে ওই বক্তব্যের সত্যতা দেখা গেছে। সমাজবাদী পার্টিতে তাঁদের স্বাগত জানান অখিলেশ যাদব।

এদিন মৌর্য বলেন, ‘আমরা দল ছাড়ায় ধস নেমেছে বিজেপি শিবিরে। আসন্ন নির্বাচনে লখনউতে যে সুনামি আসবে, তাতে বিজেপি টুকরা টুকরা হয়ে উড়ে যাবে!’ এদিন অখিলেশ হাসি মুখে বলেন, ‘ভোটেরই তো অপেক্ষা ছিল। এবার ভোট হবে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, স্বামী প্রসাদ মৌর্যের মতো নেতা যোগ দেওয়ায় সমাজবাদী পার্টির পাল্লা ভারী হয়েছে। কারণ, তাঁর বিজেপি ছাড়ার তিন দিনের মধ্যে একই যুক্তি দেখিয়ে আটজন নেতা যোগী শিবির ছেড়েছেন। যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভা ছেড়ে দেওয়া দারা সিং চৌহানও সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

কংগ্রেসকে ভেঙেও জোটের বার্তা তৃণমূলের : গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গোয়ায় ধারাবাহিকভাবে কংগ্রেস নেতাদের তৃণমূলে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সাবেক কংগ্রেস বিধায়ক গোয়া প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ভিক্টর গনজালভেস যোগ দেন তৃণমূলে। লোকসভার সংসদ সদস্য তথা গোয়ায় তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহুয়া মৈত্রের উপস্থিতিতে ঘাসফুলে যোগ দিয়ে ভিক্টর বললেন, ‘আমি কংগ্রেস ছেড়েছি, কারণ গোয়ায় এই দলের ভবিষ্যৎ নেই। আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি, কারণ বিশ্বাস করি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র শক্তিশালী নেত্রী, যিনি নরেন্দ্র মোদীকে হারাতে পারেন। তিনি এককভাবে বাংলায় বিজেপির রথ থামিয়ে দিয়েছেন।’

কংগ্রেসত্যাগী নেতা মনে করছেন, মমতাই একমাত্র বিজেপিকে হারাতে পারেন। যদিও গোয়ায় তৃণমূলের ভারপ্রাপ্ত নেত্রী মহুয়া মৈত্র বলেছেন, বিজেপিবিরোধী শক্তিগুলোর একসঙ্গে আসা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, ‘আলাদা করে কোনো বিরোধী দল গোয়ায় সরকার গড়তে পারবে না।’ গোয়ায় কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পি চিদম্বরম দাবি করেছেন, গোয়ায় যুদ্ধটা বিজেপির সঙ্গে কংগ্রেসের। আজ তাঁর জবাব দিয়ে মহুয়া বলেন, ‘শ্রী চিদম্বরমকে আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, ২০১৭ সালে জনসমর্থন পাওয়া সত্ত্বেও কংগ্রেস সরকার গড়তে ব্যর্থ হয়েছিল। এবারও কংগ্রেস একা বিজেপিকে হারাতে পারবে না। তৃণমূল চাইছে, বিজেপিবিরোধী নব শক্তি একসঙ্গে এসে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে উত্খাত করুক।’ সূত্র : এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া



সাতদিনের সেরা