kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

করোনার আরো দুটি চিকিৎসাপদ্ধতি অনুমোদন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় নতুন দুটি কৌশল অনুমোদন দিয়েছে। গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুহার কমাতে টিকাদান প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নতুন এই চিকিৎসাপদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে।

ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে ডাব্লিউএইচও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অপেক্ষাকৃত গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হওয়া রোগীদের কর্টিক্সোটেরয়েডস নামের একটি ওষুধের সঙ্গে বাতের ওষুধ বারিসিটিনিব প্রয়োগ করলে তাদের ভেন্টিলেশনে যাওয়ার হার কমবে। সেই সঙ্গে হ্রাস পাবে মৃত্যুঝুঁকি।

বিজ্ঞাপন

প্রবীণ, কম রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার অথবা ডায়াবেটিস রোগীদের মতো যাদের হাসপাতালে নেওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি তাদের জন্য বিশেষজ্ঞরা ‘সিনথেটিক অ্যান্টিবডি’ চিকিৎসাপদ্ধতি সট্রোভিম্যাব ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে যাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন নেই তাদের ক্ষেত্রে সট্রোভিম্যাব প্রয়োগের সুফল উল্লেখযোগ্য নয়। ওমিক্রনের মতো করোনার নতুন ধরনের বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতা এখনো অনিশ্চিত।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে কভিড রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। রোগীদের হাসপাতালে যাওয়ার হারও ঊর্ধ্বগামী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করছে, আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ইউরোপের অর্ধেক মানুষ করোনাক্রান্ত হবে।

এই পর্যন্ত করোনার মাত্র তিনটি চিকিৎসাপদ্ধতি অনুমোদন করেছে ডাব্লিউএইচও। গত সেপ্টেম্বরে গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসায় কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহারের অনুমোদন দেয় সংস্থাটি। ওষুধটির দাম তুলনামূলকভাবে কম এবং তা বেশ কার্যকর। গত জুলাইয়ে কভিডের চিকিৎসায় আরো দুই ওষুধ টসিলিজুম্যাব ও সারিলুম্যাব ব্যবহারের পরামর্শ দেয় তারা। এগুলো থেকে নতুনভাবে অনুমোদিত বারিসিটিনিব খানিকটা আলাদা।

ঝুঁকি বাড়ানো জিন শনাক্ত : পোল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা কভিডে গুরুতর অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি হওয়ার জন্য দায়ী একটি জিন শনাক্ত করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এটি কভিডে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সহায়তা করবে। কভিডে এরই মধ্যে পোল্যান্ডে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জিনটি শনাক্ত করার দাবিদার পোল্যান্ডের মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব বিয়ালিস্টকের গবেষকদের ধারণা, পোল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের মধ্যে এই জিন থাকতে পারে। সমগ্র ইউরোপের জনসংখ্যার ৯ শতাংশ এবং ভারতের ২৭ শতাংশ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এটি থাকতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

‘কোভ্যাক্সিন সবার উপযোগী’: ভারত বায়োটেক গতকাল এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের তৈরি টিকা কোভ্যাক্সিন শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার উপযোগী। কম্পানিটি বলছে, মহামারির বিরুদ্ধে সর্বজনীন একটি টিকা উদ্ভাবনের লক্ষ্যে তারা সফল হয়েছে। এসংক্রান্ত ছাড়পত্র পেতে যাবতীয় কাজ এরই মধ্যে সেরে ফেলেছে বলেও জানিয়েছে ভারত বায়োটেক। সূত্র : এএফপি, আনন্দবাজার পত্রিকা



সাতদিনের সেরা