kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা নীতি ঘোষণা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা নীতি ঘোষণা

ইমরান খান

দেশের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা নীতি (এনএসপি) প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এ নীতি প্রকাশ করে বলেন, নাগরিকের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতের জন্য একটি বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করা অতি প্রয়োজন।

গত ২৮ ডিসেম্বর পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা জাতীয় নিরাপত্তা নীতির অনুমোদন দেয়। এর আগের দিনই জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি এতে সম্মতি দেয়।

বিজ্ঞাপন

ঘোষিত জাতীয় নিরাপত্তা নীতিতে আগামী বছরগুলোতে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা তুলে ধরা হয়েছে। ‘নাগরিককেন্দ্রিক’ জাতীয় নিরাপত্তাসহ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এতে।

১০০ পৃষ্ঠার জাতীয় নিরাপত্তা নীতি প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, বিগত সরকার দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ব্যর্থ হয়েছিল। তিনি আরো বলেন, এবারের নীতি একান্তই নাগরিককেন্দ্রিক। এর মধ্যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে পাকিস্তানের নিরাপত্তা নীতি ছিল একপক্ষীয়, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সামরিক বাহিনী। প্রথমবারের মতো শুধু সামরিক বাহিনীর কথা চিন্তা না করে নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইমরান খান বলেন, ‘যখন জনগণ দেশের অংশীদার হয় এবং দেশের জন্য কাজ করে, সেটাই দেশের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা। ’

পাকিস্তান স্বাধীনতার পর থেকে প্রভাবশালী সেনাবাহিনীকে ঘিরেই বরাবর নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করে আসছে।

কথিত নাগরিককেন্দ্রিক এই জাতীয় নিরাপত্তা নীতি পাঁচ বছরের জন্য করা হয়েছে। ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।

জাতীয় নিরাপত্তা নীতির মূল বিষয়গুলো বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত রয়েছে। এর মূল বিষয়গুলো হলো—জাতীয় সংহতি, অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি।

এর আগে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফ বলেন, ‘নতুন নীতি অনুসারে পাকিস্তান আরো ব্যাপকভাবে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের কাঠামোতে প্রবেশ করল। এর মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়েছে। ’ তিনি আরো বলেন, নিরাপত্তা নীতিতে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে মূল ধরা হয়েছে। একটি শক্তিশালী অর্থনীতির মাধ্যমে বিনিয়োগের আরো ক্ষেত্র তৈরি হবে, যা বণ্টনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সামরিক ও নাগরিক নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন সংবাদপত্রে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নীতিতে জম্মু-কাশ্মীরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র : ডন ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।



সাতদিনের সেরা