kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

পুলিশি অভিযানে ৩৬ ঘণ্টায় কাশ্মীরে নিহত ১০

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতশাসিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে তিন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে তিনটি পৃথক সংঘাতে এক সেনা সদস্যসহ ১০ জন নিহত হয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতভর পাঠানচকে গোলাগুলি হয়। এতে তিনজন নিহত হয়।

বিজ্ঞাপন

ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চলতি মাসে পুলিশ বাসে হামলায় জড়িত জইশ-ই-মোহাম্মদের এক সদস্যও আছে বলে দাবি পুলিশের।

গতকাল পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পাঠানচকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত জইশ-ই-মোহাম্মদের সদস্য সুহাইল আহমেদ রাঠের শ্রীনগরের উপকণ্ঠে জেওয়ান ক্যাম্পের কাছে পুলিশের এক বাসে হামলায় জড়িত ছিলেন। ওই হামলায় তিন পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল।

পাঠানচকে নিরাপত্তা বাহিনীর এই অভিযানের মধ্য দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে সম্প্রতি সশস্ত্র পুলিশ সদস্যদের ওপর হওয়া হামলায় জড়িত সব সন্ত্রাসীকে ‘নির্মূল’ করা হলো, এমন মন্তব্য করেছে কাশ্মীর পুলিশ। এ নিয়ে ৩৬ ঘণ্টায় তিনটি বন্দুকযুদ্ধে ৯ বিদ্রোহী নিহত হয়েছে।

এর আগের দুটি ঘটনায় ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে ছয় সন্দেহভাজন বিদ্রোহী ও একজন সেনা সদস্য নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুই পাকিস্তানি নাগরিকও ছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে অনন্তনাগ ও কুলগাম এলাকায় ওই সব গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

কাশ্মীর পুলিশের মহাপরিদর্শক বিজয় কুমারের বরাত দিয়ে কাশ্মীর পুলিশ এক টুইটে বলেছে, ‘দুটি পৃথক এনকাউন্টারে নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন জেইএমের ছয় সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে দুইজন পাকিস্তানি ও দুইজন স্থানীয়। ’ পুলিশ বলেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী কুলগামের মিরহামা এলাকা ঘেরাও দিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে লুকিয়ে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। একই ধরনের অপর ঘটনাটি ঘটে পার্শ্ববর্তী অনন্তনাগের দোরু এলাকায়। সংঘাতে আহত এক সেনা হাসপাতালে মারা যান। সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা