kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ইউক্রেন ইস্যুতে বিতণ্ডা

রাশিয়া হামলা করলে সেনা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাশিয়া যদি ইউক্রেনে আক্রমণ করে তবে পূর্ব ইউরোপে সেনা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পুতিনের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনা করার কথা। ওই আলোচনার প্রাক্কালে যুক্তরাষ্ট্র এই সতর্কবার্তা দিল। ইউরোপীয় নেতারাও বলেছেন, তাঁরা ইউক্রেনের আগ্রাসনের বিষয়ে একটি ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনে সম্মত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মস্কোকে সতর্ক করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইউক্রেনে আগ্রাসনের জবাবে ন্যাটোর পূর্ব দিকে তারা শক্তি বাড়াবে, সেই সঙ্গে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেন, জো বাইডেন মঙ্গলবার পুতিনকে এটাও স্পষ্ট করবেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর ভবিষ্যৎ সদস্য হিসেবে ইউক্রেনকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করবে না।

পুতিনের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি হিসেবে গত সোমবার জো বাইডেন ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে বরিস জনসন বলেন, তাঁরা ইউক্রেনের বিষয়ে একটি ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠন করতে সম্মত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন সোমবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ‘রাশিয়ার আগ্রাসনের’ মুখে ওয়াশিংটনের ‘অটল সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

জেলেনস্কি একটি টুইটে বলেছেন, তিনি এবং ব্লিংকেন ‘সম্মিলিত এবং সমন্বিত পদক্ষেপ’ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন।

প্রায় এক লাখ রুশ সেনা এরই মধ্যে ইউক্রেন সীমান্তে ‘স্ট্রাইকিং’ দূরত্বের মধ্যে জড়ো হয়েছে। ২০১৫ সালের পর এই সংকট সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। ২০১৫ সালে মস্কো ইউক্রেনে বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটায়। গোপনে ইউক্রেন সেনাদের ঘেরাও করার জন্য ট্যাংক ও আর্টিলারি পাঠায় এবং মিনস্কে একটি শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করতে কিয়েভকে বাধ্য করে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ইউক্রেনে যখন রাশিয়া প্রথম হস্তক্ষেপ চালিয়েছিল তখন পূর্ব ইউরোপে আরো বেশি সেনা ও সরঞ্জাম মোতায়েন করেছিল। এবারও তাই করা হবে। ব্রিফিংয়ে আরো বলা হয়, ‘পুতিন যদি অগ্রসর হন, তবে পূর্বদিকের মিত্রদের কাছ থেকে সেখানে বাড়তি সেনা মোতায়েন এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো ও মহড়া চালানোর অনুরোধ জোরালো হবে। এই অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক সাড়া দেবে। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান।



সাতদিনের সেরা