kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ভারতে ওমিক্রন শনাক্ত দুজনের

সংস্পর্শে এসেছে পাঁচ শর বেশি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাসের নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত দুই ব্যক্তির হদিস মিলেছে ভারতের কর্ণাটকে। এর মধ্যে রয়েছেন ৪৬ বছর বয়সী এক ভারতীয় আর ৬৬ বছর বয়সী এক দক্ষিণ আফ্রিকান।

ওমিক্রনে আক্রান্ত ভারতীয় পেশায় চিকিৎসক। তাঁর বিদেশভ্রমণের রেকর্ড নেই।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত ২২ নভেম্বর ওই চিকিৎসকের কভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। জ্বর আর গা ব্যথার মতো সামান্য উপসর্গ ছিল তাঁর। কভিড পরীক্ষায় সিটি ভ্যালু কম থাকায় তাঁর নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িতেই ছিলেন তিনি। ২৫ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করার তিন দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ২৭ নভেম্বর বাড়ি ফিরে যান তিনি।

ভারতীয় চিকিৎসকের শরীরে ওমিক্রনের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে জানা যায়, তাঁর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছে ৩০ জন এবং পরোক্ষ সংস্পর্শে এসেছে আড়াই শ জনের বেশি। হাসপাতাল সূত্র আরো জানায়, ওই ব্যক্তির প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। পরোক্ষভাবে যারা সংস্পর্শে এসেছে, তাদের মধ্যেও তিনজনের শরীরে করোনার উপস্থিতি মিলেছে। ওই পাঁচজন ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত কি না, তা জানা যায়নি। তা নিশ্চিত হতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই পাঁচজনকে আপাতত আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

এদিকে ভারতে ওমিক্রনে আক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিকের ব্যাপারে জানা গেছে, তিনি কভিড নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। তিনি করোনার টিকার দুটি ডোজই নিয়েছেন। ভারতে পৌঁছলে কভিড পরীক্ষায় তাঁর পজিটিভ ফল আসে। তবে তাঁর দেহে কোনো উপসর্গ ছিল না। এর পরও তাঁকে সেলফ আইসোলেশনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ পর কভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল এলে তিনি দুবাইয়ের উদ্দেশে ভারত ত্যাগ করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভারত ছাড়ার আগে তাঁর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে ২৪ জন এবং পরোক্ষ সংস্পর্শে আসে ২৪০ জন। সূত্র : এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা।



সাতদিনের সেরা