kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

বাতাসে গ্রিনহাউস গ্যাস ২০২০ সালেই সর্বোচ্চ

চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ায় কার্বন শুষে নিতে পারছে না প্রকৃতি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস মহামারিতে মাসের পর মাস সারা বিশ্বে জনজীবন কমবেশি স্থবির থাকার পরও বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডাব্লিউএমও) জানিয়েছে, গত এক দশকে প্রতিবছর যে হারে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে, সে তুলনায় ২০২০ সালে এসব গ্যাসের পরিমাণ আরো বেড়ে গেছে। গত বছর বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৪১৩.২ পিপিএম (পার্টস পার মিলিয়ন)। প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় তা ১৪৯ শতাংশ বেশি। কঠোর লকডাউন চলাকালে সার্বিকভাবে ৫.৬ শতাংশ কম কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়েছে। এর পরও বাতাসে কেন এ গ্যাসের পরিমাণ আগের চেয়ে বেশি তার ব্যাখ্যায় বিজ্ঞানীরা জানান, চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার কারণে বনাঞ্চল, ভূপৃষ্ঠ ও সমুদ্র কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নিতে পারছে না। ফলে এ গ্যাসের পরিমাণ কার্যত বাড়ছে।

ডাব্লিউএমও বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা এভাবে বাড়তে থাকলে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত তাপমাত্রা ধরে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের তাপমাত্রার তুলনায় দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোর নিঃসরণ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে বিশ্বনেতারা কপ২৬ সম্মেলনে একমত হতে পারবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে ডাব্লিউএমওর এই নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ পেল। প্রতিবেদনের রচয়িতারা জানান, পৃথিবীতে বর্তমানে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যে পরিমাণ, তেমন অবস্থা সর্বশেষ ছিল ৩০ লাখ থেকে ৫০ লাখ বছর আগে। তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা আরো ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও ছিল এখনকার চেয়ে ১০ থেকে ২০ মিটার বেশি। সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা