kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

মতৈক্য হলেও বারবার অবস্থান বদলাচ্ছে মিয়ানমার

আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে দোলাচল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারে শান্তি ফেরানোর স্বার্থে যে পাঁচটি বিষয় আসিয়ান নেতাদের ঐকমত্য হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়নে যতটা সম্ভব সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার।

ব্রুনেইর রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সম্মেলন। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আসিয়ানের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করলেও গতকাল রবিবার জান্তা সরকার জানিয়েছে, আসিয়ানের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে তারা।

গতকাল রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এক ঘোষণায় জান্তা সরকার জানায়, তারা জোটভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি ধরে রাখবে এবং গত এপ্রিলে আসিয়ানের সঙ্গে পাঁচটি বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছিল সে বিষয়ে তারা সহযোগিতা করবে। মিয়ানমারে অবিলম্বে সহিসংতার অবসান ঘটানো, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা, আলোচনায় আসিয়ান দূতের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করা, দেশটিতে মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার প্রদান এবং মিয়ানমারে আসিয়ান দূতের প্রবেশাধিকার নিয়ে গত এপ্রিলে জোট নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছান। তবে সেবার দেশে ফিরে জান্তা প্রধান বলেছিলেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন না তিনি। ওই শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণে গত ১৫ অক্টোবর আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান হ্লাইংকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য জেনারেল হ্লাইংয়ের পরিবর্তে একজন নিরপেক্ষ অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে পাঠানো আমন্ত্রণ জানায় আসিয়ান।

এরপর গত শুক্রবার মিয়ানমারের জান্তা সরকার ওই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলে, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে আসিয়ান অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি থেকে দূরে সরে গেল। একই সঙ্গে জান্তা সরকার আসন্ন সম্মেলনে মিয়ানমারের প্রতিনিধি হিসেবে নিরপেক্ষ কোনো ব্যক্তিকে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানায়। এ বিষয়ে আসিয়ান সভাপতি ব্রুনেইর পক্ষ থেকে গতকাল পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আসিয়ানের বিশেষ দূত এরিওয়ান ইউসুফ মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন। তাতেও আপত্তি জানায় জান্তা। তাদের যুক্তি, ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে সু চি আটক রয়েছেন বলে তাঁর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে জান্তা সরকার বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগাযোগ না করার বিষয়ে এরিওয়ানকে সতর্ক করে দেন।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।



সাতদিনের সেরা