kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

কপ২৬ নিয়ে বাইডেনের বিশেষ দূত

বিশ্বের শেষ সুবর্ণ সুযোগ

সাফল্য নির্ভর করছে বিশ্বের সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীনের ওপর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বের শেষ সুবর্ণ সুযোগ

জন কেরি

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জন কেরি বলেছেন, গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু সম্মেলন বিশ্বের জন্য শেষ বড় আশা।

আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ২৬ শীর্ষক জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ অন্য বিশ্বনেতা ও প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশ নেবেন।

ওই সম্মেলনকে সামনে রেখে কেরি বিবিসিকে বলেন, বিশ্বের প্রধান দেশগুলোর নীতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। আগামী ৯ বছরে যদি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো না যায় তাহলে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণ করার কোনো সুযোগ নেই।

দীর্ঘমেয়াদি ওই লক্ষ্য হলো বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বাড়ার পরিমাণ প্রাকশিল্প যুগের তাপমাত্রার তুলনায় সর্বোচ্চ দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখা। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে তাপমাত্রা হ্রাসের ওই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে ২০১০ সালে কার্বন নির্গমনের যে মাত্রা ছিল, চলতি দশকের শেষের মধ্যে নির্গমনের মাত্রা সেটার চেয়ে ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে।

করোনাভাইরাস মহামারিকালে বিশ্বজুড়ে কঠোর লকাডাউনের মধ্যে কার্বন নির্গমন কিছুটা কমলেও তা আবার আগেই মতোই বাড়তে শুরু করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী দেশ হলো চীন। তাই আসন্ন জলবায়ু সম্মেলনে ভালো ফলের আশা অনেকটাই নির্ভর করছে চীনের ওপর।

জন কেরি বলেন, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিয়েই বড় বড় আশ্বাস দেওয়া হয়েছে; কিন্তু সত্য হলো বিশ্বজুড়েই কার্বন নির্গমন বাড়ছে। অনেক দেশেই নির্গমনের হার কমেনি। প্রধান দেশগুলো যে নীতি অনুসরণ করছে তা প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর।

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি আরো বলেন, ‘২০২০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা যদি কার্বন নির্গমনের মাত্রা পর্যাপ্ত কমাতে না পারি তাহলে আমাদের যে লক্ষ্যে পৌঁছনো প্রয়োজন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব না। আমরা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারব না এবং ২০৫০ সালের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার শূন্যে নামানোর লক্ষ্য পূরণ করতে পারব না।’ তিনি চান, গ্লাসগো সম্মেলনে বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির ২০টি দেশ লক্ষ্যপূরণে উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়াবে। সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা